• বুধবার, ৩০ নভেম্বর ২০২২, ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৯
  • ||

ইতিবাচক ধারায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি

প্রকাশ:  ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২২, ২২:৩৩
নিজস্ব প্রতিবেদক

বাড়ছে দেশের বেসরকারি খাতের বিনিয়োগ। একই সঙ্গে বেড়েছে ঋণের চাহিদা। সব মিলিয়ে ইতিবাচক ধারায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হালনাগাদ তথ্যে এ চিত্র উঠে এসেছে।

বাংলাদেশে ব্যাংকের তথ্য মতে, গত আগস্টে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় বেড়েছে ১৪ দশমিক শূন্য ৭ শতাংশ। গত জুলাইয়ে ঋণের প্রবৃদ্ধি ছিল ১৩ দশমিক ৯৫ শতাংশ। অর্থাৎ আলোচ্য সময়ে ব্যবসায়ী-উদ্যোক্তারা ব্যাংকিং খাত থেকে ১৪ শতাংশের বেশি ঋণ নিয়েছেন।

চলতি বছরের জানুয়ারিতে ঋণপ্রবাহের প্রবৃদ্ধি ছিল ১১ দশমিক শূন্য ৭ শতাংশ। তবে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ধাক্কায় ফেব্রুয়ারিতে তা কমে দাঁড়িয়েছিল ১০ দশমিক ৭২ শতাংশে, মার্চে আবার তা বেড়ে দাঁড়িয়েছিল ১১ দশমিক ২৯ শতাংশ। গত এপ্রিলে ঋণ প্রবৃদ্ধি ছিল ১২ দশমিক ৪৮ শতাংশ। যা মে মাসে দাঁড়ায় ১২ দশমিক ৯৪ শতাংশে এবং জুনে ১৩ দশমিক ৯৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছিল।

গত আগস্ট শেষে বেসরকারি খাতে ঋণস্থিতি দাঁড়িয়েছে ১৩ লাখ ৬২ হাজার ৪৭৮ কোটি টাকা। যা জুলাইয়ে ছিল ১৩ লাখ ৫২ হাজার ৫৬৬ কোটি টাকা।

এদিকে, ২০২২-২৩ অর্থবছরের মুদ্রানীতিতে বাংলাদেশ ব্যাংক আগামী জুন পর্যন্ত বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধির প্রাক্কলন করেছে ১৪ দশমিক ১০ শতাংশ। আগের মুদ্রানীতিতে যা ছিল ১৪ দশমিক ৮০ শতাংশ। মূলত সাম্প্রতিক সময়ে ঋণ বৃদ্ধির প্রবণতা বিশ্লেষণ করে মুদ্রানীতিতে প্রাক্কলন কিছুটা কমানো হয়। সাম্প্রতিক সময়ে যেভাবে বাড়ছে, তাতে প্রাক্কলনের চেয়ে প্রবৃদ্ধি বেশি হতে পারে বলে মনে করছেন এ খাতের বিশ্লেষকরা।

তাদের মতে, করোনা-পরবর্তী বৈশ্বিক চাহিদা বৃদ্ধির মধ্যে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ফলে অধিকাংশ পণ্যের দর বেড়েছে। যে কারণে এখন সব পর্যায়ে খরচ বেড়েছে। এ সময়ে নতুন করে অনেকে বিনিয়োগও করছেন। এসব কারণে গত এপ্রিলে এক নির্দেশনার মাধ্যমে চলতি মূলধন খাতে বিদ্যমান ঋণসীমা বাড়ানোর সুযোগ দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। পরবর্তীতে আমদানি ব্যয় কমাতে গত জুলাইতে কিছু পণ্য আমদানিতে ৭৫ থেকে শতভাগ এলসি মার্জিন নির্ধারণ এবং এসব পণ্যে ঋণ দেওয়া বন্ধ করা হয়েছে। এরপরও বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবাহ বাড়ছে।

বেসরকারি,ঋণ,প্রবৃদ্ধি
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
close