• সোমবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২২, ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৯
  • ||

রিজার্ভ কমে ৩৬ দশমিক ৯৭ বিলিয়ন ডলার

প্রকাশ:  ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২, ২০:৩০ | আপডেট : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২, ২০:৩২
নিজস্ব প্রতিবেদক

আমদানিতে কড়াকড়ি, কৃচ্ছ্রতা সাধন, রেমিট্যান্স ও রপ্তানি আয় বাড়ানোর বিভিন্ন উদ্যোগের পরেও রিজার্ভের ওপর চাপ প্রতিনিয়ত বেড়েই চলেছে। এতে গত কয়েক মাস ধরে ধারাবাহিকভাবে কমছে রিজার্ভ। বুধবার (২১ সেপ্টেম্বর) দিন শেষে রিজার্ভ কমে ৩৬ দশমিক ৯৭ বিলিয়ন ডলারে এসে ঠেকেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য মতে, গত সেমাবার রিজার্ভের পরিমাণ ছিলো ৩৭ দশমিক শূন্য ৮ বিলিয়ন ডলার। তবে চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহে এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) দেশগুলোর জুলাই-আগস্ট সময়ের জন্য এক দশমিক ৭৪ বিলিয়ন ডলার পরিশোধ করায় রিজার্ভ ৩৭ দশমিক ১৩ বিলিয়নে নেমে আসে। তার আগে ৩৯ বিলিয়ন ডলারের ঘরে ছিল বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ। তবে গত বছরের ২৫ আগস্ট রিজার্ভের পরিমাণ ছিলো ৪৮ দশমিক ৬০ বিলিয়ন ডলার। সেই হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে রিজার্ভ কমেছে প্রায় ১১ দশমিক ৬৩ বিলিয়ন ডলার।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, কোনো দেশের ৩ মাসের আমদানি বিল পরিশোধের জন্য বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ থাকলে তা আদর্শ হিসেবে ধরা হয়। তবে আমাদের বর্তমান যে রিজার্ভ আছে তা দিয়ে ৫ মাসের বেশি আমদানি বিল পরিশোধ করা সম্ভব হবে। এতে বলতেই পারি রিজার্ভ নিয়ে হতাশ হওয়ার কিছু নেই।

তিনি বলেন, সরকার আমদানিতে কড়াকরি ও কৃচ্ছ্রসাধন নীতি ঘোষণা করছে। এতে আমদানি কমতে শুরু করেছে। তাছাড়া রপ্তানি আয়ও বাড়ছে। সরকারের নানা উদ্যোগের ফলে রেমিট্যান্স সংগ্রহ বেড়েছে, জনসংখ্যা রপ্তানিও বেড়েছে। সামনে রেমিট্যান্স সংগ্রহ আরও বাড়বে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংকের বিভিন্ন পদক্ষেপের ফলে গত জুলাই মাসের তুলনায় আগস্টে আমদানির ক্ষেত্রে এলসি (ঋণপত্র) নিষ্পত্তি কমেছে ২৫ শতাংশ। আগস্টে এলসি বাবদ পরিশোধ হয়েছে ৫ দশমিক ৯৩ বিলিয়ন ডলার, যা আগের মাসে ছিল ৭ দশমিক ৪২ বিলিয়ন।

আর চলতি বছরের জানুয়ারিতে এলসি নিষ্পত্তি হয়েছে ৬ দশমিক ৮৫ বিলিয়ন, ফেব্রুয়ারিতে ৬ দশমিক ৫৫ বিলিয়ন, মার্চে ৭ দশমিক ৬৭ বিলিয়ন, এপ্রিলে ৬ দশমিক ৯৩ বিলিয়ন, মে মাসে ৭ দশমিক ২৫ বিলিয়ন ও জুনে ৭ দশমিক ৭৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

সাধারণত কোনো দেশের ৩ মাসের আমদানি বিল পরিশোধের জন্য রিজার্ভ থাকলে- তা আদর্শ হিসেবে ধরা হয় উল্লেখ করে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান রিজার্ভ দিয়ে ৫ মাসের বেশি আমদানি বিল পরিশোধ করা সম্ভব। সুতরাং এই রিজার্ভ নিয়ে শঙ্কার কিছু নেই।

পূর্বপশ্চিমবিডি/এসএম

ডলার,রিজার্ভ,বাংলাদেশ ব্যাংক
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
close