• মঙ্গলবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১২ আশ্বিন ১৪২৯
  • ||

পাম তেল-চিনির দাম কমানোর সুপারিশ

প্রকাশ:  ২০ সেপ্টেম্বর ২০২২, ২৩:১৬ | আপডেট : ২০ সেপ্টেম্বর ২০২২, ২৩:২৩
নিজস্ব প্রতিবেদক

সয়াবিন তেলের বাজার মূল্য যৌক্তিক। তবে পাম তেলের দাম লিটার প্রতি ১২ টাকা কমানোর সুযোগ আছে। এছাড়া চিনির দাম কেজিতে ৪ টাকা কমানো উচিত।

বাংলাদেশ ট্যারিফ অ্যান্ড ট্রেড কমিশন (বিটিটিসি) বাজার পরিস্থিতি মূল্যায়ন করে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কাছে এমন সুপারিশ তুলে ধরেছে।

সম্পর্কিত খবর

    এদিকে নিত্যপ্রয়োজনীয় ৯টি পণ্যের দাম এককভাবে বেঁধে দেয়ার উদ্যোগ থেকে সরে আসছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। ভোজ্যতেল, চিনি, রড ও সিমেন্টের দাম নির্ধারণ করে দেবে মন্ত্রণালয়। সেক্ষেত্রে ভোজ্যতেল ও চিনির দাম নির্ধারণের সুপারিশ করেছে ট্যারিফ কমিশন। আর তথ্য-উপাত্ত না পাওয়ায় রড ও সিমেন্টের দাম নির্ধারণে আরও বেশ কয়েক দিন সময় লাগবে বলে জানানো হয়েছে।

    বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, নিত্যপ্রয়োজনীয় ৯টি পণ্যের মধ্যে দুটির দাম নির্ধারণের সুপারিশ করেছে ট্যারিফ কমিশন। রড ও সিমেন্টের দাম নির্ধারণে আরও সময় দরকার। অন্য ৫টি পণ্যের দাম নির্ধারণে সিদ্ধান্ত দেবে কৃষি মন্ত্রণালয়।

    ট্যারিফ কমিশনের সুপারিশে বলা হয়, পাম তেলের দাম ১৪৫ টাকা লিটার নির্ধারণ করা আছে। এই ভোজ্যতেলের দাম লিটারে অন্তত ১২ টাকা কমিয়ে ১৩৩ টাকা নির্ধারণ করা যেতে পারে।

    বিশ্ব বাজারে সয়াবিন তেলের দামে তেমন প্রভাব পড়েনি। তবে পাম তেলের দাম কমে এসেছে। তাই এই তেলের দাম স্থানীয় বাজারে কমানোর সুযোগ আছে। আর সয়াবিন তেল যে দামে বিক্রি হচ্ছে তা যৌক্তিক।

    ২৩ আগস্ট প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন তেলের দাম বেঁধে দেয়া হয় ১৭৫ টাকা। ৫ লিটারের বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম করা হয় ৯৪৫ টাকা। আর এক লিটার খোলা পাম তেলের দাম ধরা হয় ১৪৫ টাকা।

    বিটিটিসির হিসাব অনুযায়ী সয়াবিন, পাম, রাইস ব্রান ও সরিষার তেল মিলিয়ে দেশে প্রায় ২০ লাখ টন ভোজ্যতেলের চাহিদা রয়েছে। এই চাহিদার বেশিরভাগই পাম তেল, ১৩ লাখ টন। এরপরই সয়াবিনের চাহিদা পাঁচ লাখ টন। বাকিটা সরিষা, রাইস ব্রানসহ অন্যান্য ভোজ্যতেল।

    মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
    • সর্বশেষ
    • সর্বাধিক পঠিত
    close