• সোমবার, ০৯ ডিসেম্বর ২০১৯, ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৬
  • ||

খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য নিরলসভাবে কাজ করছে সরকার: কৃষিমন্ত্রী

প্রকাশ:  ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ২৩:১৪ | আপডেট : ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ২৩:১৭
নিজস্ব প্রতিবেদক
ফাইল ছবি

সরকার নিরাপদ ও পুষ্টিমান সমৃদ্ধ খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে উল্লেখ করে কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, অধিক সার ব্যবহারের ফলে পরিবেশ ও মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়- সে বিষয়ে কৃষকদেরকে আরও সচেতন করে তুলতে হবে।

তিনি বলেন, কৃষি কাজে জৈব ও রাসায়নিক সার প্রয়োগের মাধ্যমে নাইট্রোজেন সরবরাহ করা হয়। আমাদের কৃষি কাজের প্রয়োজনে হেক্টর প্রতি আবাদি জমিতে রাসায়নিক সারের ব্যবহার অনেক বেশি।

রোববার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর লেক ক্যাসেল হোটেলে ‘ইন্টারন্যাশনাল নাইট্রোজেন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম সাউথ এশিয়া রিজিওনাল ডেমোনেস্ট্রশন’ ওয়ার্কশপে তিনি এসব কথা বলেন।

ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, নাইট্রোজেন ব্যবহার ফসলের উৎপাদন ৩০-৩৪ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ায়। আবার অধিক নাইট্রোজেন সমৃদ্ধ সার ব্যবহারের ফলে জমির ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি পেলেও জমির ঊর্বরতা কমে যায়।

তিনি বলেন, অনেক কৃষক সারের সঠিক ব্যবহার না জেনে জমিতে বেশি বেশি সার ব্যবহার করে। যার ফলে সারের নাইট্রোজেন বাতাসে মিশে পরিবেশ দূষণ করে, আবার পানিতে মিশে মানুষের জন্য ক্ষতির কারণ হয়। তাই এর ব্যবহার পরিমিত করতে হবে এবং পর্যায়ক্রমে কমিয়ে আনতে হবে।

কৃষিমন্ত্রী আরও বলেন, অতীতে ফসল উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় নাইট্রোজেন মূলত জৈব সার প্রয়োগের মাধ্যমেই মেটানো সম্ভব হতো। কিন্তু আজ তা চাহিদার তুলনায় অপ্রতুল, ফলে রসায়নিক পদ্ধতিতে ডাই-নাইট্রোজেন অণু ভেঙে হাইড্রোজেন ও অক্সিজেনের সঙ্গে বিক্রিয়ার মাধ্যমে তৈরি করা হচ্ছে রসায়নিক সার। গাছপালা কার্যত সারের মাত্র অর্ধেক নাইট্রোজেন ব্যবহার করে থাকে আর বাকি অর্ধেক নানা ধরনের বিক্রিয়াক্ষম নাইট্রোজেন অণুতে রূপান্তরিত হয়ে মাটি, পানি ও বাতাসে মিশে যায়। এভাবে বিক্রিয়াক্ষম নাইট্রোজেন দিন দিন বাড়তে থাকে আর শুরু হয় পরিবেশ দূষণের নতুন মাত্রার নাইট্রোজেন দূষণ।

এতে স্বাগত বক্তব্য দেন ড. মো. মিজানুর রহমান।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, আইএনএমএস’র পরিচালক প্রফেসর ড.মার্ক এ সুত্তন, ভারতের এসএএনসি’র পরিচালক প্রফেসর ড. নান্দুলাল রাঘুরাম ও প্রফেসর ড. তপন কে অধ্যায়।বিশেষ অতিথি ছিলেন বিরি’র মহাপরিচালক ড. মো. শাজাহান কবীর ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মো. গিয়াস উদ্দিন মিয়া।

পূর্বপশ্চিমবিডি/জিএম

ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক,কৃষিমন্ত্রী
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত