Most important heading here

Less important heading here

Some additional information here

Emphasized text
  • সোমবার, ১৯ আগস্ট ২০১৯, ৪ ভাদ্র ১৪২৬
  • ||

নতুন অর্থবছরের এডিপির আকার ২ লাখ ২৭২১ কোটি টাকা

প্রকাশ:  ০৮ মে ২০১৯, ১৬:৩২
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রিন্ট icon

২০১৯-২০ অর্থবছরে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আকার ২ লাখ ২ হাজার ৭২১ কোটি টাকা হবে বলে জানিয়েছেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান।

বুধবার (৮ মে) দুপুরে রাজধানীর শেরে-বাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত ২০১৯-২০ অর্থবছরের এডিপি বর্ধিত সভায় পরিকল্পনামন্ত্রী এসব তথ্য জানান।

মন্ত্রী জানান, এডিপি চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ (এনইসি) সভায় উত্থাপন করা হবে। ওই সভায় নতুন এডিপির চূড়ান্ত অনুমোদন দেবেন প্রধানমন্ত্রী।

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, আগামী অর্থবছরে এডিপির আকার ২ লাখ ২ হাজার ৭২১ কোটি টাকা হবে। এই এডিপিতে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পাবে পরিবহন খাত যা টাকার পরিমাণে ৫২ হাজার ৮০৫ কোটি টাকা। এ ছাড়া বিদ্যুৎ, ভৌত অবকাঠামোর পরই সর্বোচ্চ বরাদ্দের দিক থেকে চতুর্থ স্থানে রয়েছে শিক্ষা ও ধর্ম খাত।

২০১৮-১৯ অর্থবছরে এক লাখ ৬৫ হাজার কোটি টাকার সংশোধিত এডিপির অনুমোদন দেয়া হয়। একই সঙ্গে ৯ হাজার ৬২০ কোটি টাকা স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার জন্য অনুমোদন দেয়া হয়।

বৈঠক থেকে আরো জানা গেছে, এডিপির পরিমাণ ২ লাখ ২ হাজার ৭২১ কোটি টাকার মধ্যে স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন ছাড়া, সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন ১ লাখ ৩০ হাজার ৯২১ কোটি টাকা এবং বিদেশিদের কাছ থেকে ঋণ নেয়া হবে ৭১ হাজার ৮০০ কোটি টাকা।

মন্ত্রী বলেন, বর্তমান এডিপির অগ্রগতি এপ্রিল পর্যন্ত ৫৪ দশমিক ৬৩ শতাংশ, টাকায় যার পরিমাণ ৯৬ হাজার ৪৯৩ কোটি টাকা। গত বছর এই সময়ে এডিপির অগ্রগতি ছিল ৫২ দশমিক ৪২ শতাংশ, টাকায় যার পরিমাণ ৮২ হাজার ৬০৩ কোটি টাকা।

তিনি আরো বলেন, সব খাতকেই সমান প্রাধান্য দেয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে কৌশলে ২০০৯ সাল থেকে অসম্ভব রকমের উন্নয়ন করতে পেরেছেন, সেই কৌশল থেকে সরে যাওয়ার কোনো পরিকল্পনা আমাদের হাতে নেই। কারণ সেটা বাস্তব সম্মত হবে না।

পরিকল্পনা বিভাগের সচিব মো. নূরুল আমিন জানান, পরিবহন খাতে বরাদ্দ প্রস্তাব করা হয়েছে ৫২ হাজার ৮০৫ কোটি ৬৯ লাখ টাকা, যা মোট এডিপির ২৬ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ। বিদ্যুৎ খাতে বরাদ্দ ধরা হয়েছে ২৬ হাজার ১৭ কোটি ১৩ লাখ টাকা, যা মোট এডিপির ১২ দশমিক ৮৩ শতাংশ। ভৌত পরিকল্পনা, পানি সরবরাহ ও গৃহায়ণ খাতে তৃতীয় সর্বোচ্চ বরাদ্দ ধরা হয়েছে ২৪ হাজার ৩২৪ কোটি টাকা, যা মোট এডিপির ১২ শতাংশ। শিক্ষা ও ধর্ম খাতে ১০ দশমিক ৫৫ শতাংশ, টাকায় যার পরিমাণ ২১ হাজার ৩৭৯ কোটি ১২ লাখ।

মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, সর্বোচ্চ বরাদ্দ পাওয়া উপরের চার খাতের পরই বিজ্ঞান, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাতে ১৭ হাজার ৫৪১ কোটি ২৬ লাখ টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে, যা মোট এডিপির ৮ দশমিক ৬৫ শতাংশ। পল্লী উন্নয়ন ও পল্লী প্রতিষ্ঠান খাতে ১৫ হাজার ১৫৭ কোটি ৪০ লাখ টাকা, যা এডিপির ৭ দশমিক ৪৮ শতাংশ। স্বাস্থ্য, পুষ্টি, জনসংখ্যা ও পরিবার কল্যাণ খাতে ১৩ হাজার ৫৫ কোটি ৪৭ লাখ টাকা, যা এডিপির ৬ দশমিক ৪৪ শতাংশ। কৃষি খাতে ৭ হাজার ৬ ১৫ কোটি ৯৩ লাখ টাকা, যা এডিপির ৩ দশমিক ৭৬ শতাংশ। পানি সম্পদ খাতে ৫ হাজার ৬৫২ কোটি ৯০ লাখ টাকা, যা এডিপির ২ দশমিক ৭৯ শতাংশ। জনপ্রশাসন খাতে ৫ হাজার ২৩ কোটি ৮৮ লাখ টাকা, যা এডিপির ২ দশমিক ৪৮ শতাংশ বরাদ্দ প্রস্তাব করা হচ্ছে।


পিপিবিডি/কেএম

বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচীর (এডিপি),পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান,অর্থ-বাণিজ্য
apps
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত