• সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২০, ২২ আষাঢ় ১৪২৭
  • ||

আজ সুপারমুন

জ্যোৎস্না স্নানের গান

প্রকাশ:  ২১ মার্চ ২০১৯, ১৮:০৯ | আপডেট : ২১ মার্চ ২০১৯, ১৮:১৮
ফিচার ডেস্ক

যারা চাঁদ ও জ্যোৎস্না দেখতে ভাবোবাসেন তাদের জন্য আনন্দ সংবাদ! বৃহস্পতিবার (২১ মার্চ) রাতের আকাশে দেখা যাবে সুপারমুন। বছরের শেষ সুপারমুন এটি।

মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসা জানিয়েছে, আজ চাঁদকে স্বাভাবিকের চেয়ে ১৪ শতাংশ বড় দেখাবে। পৃথিবীর বেশ কাছে চলে আসায় চাঁদকে বড় দেখাবে এ রাতে।

পৃথিবীর যে কোনো প্রান্ত থেকেই আজকের এই সুপারমুনের সৌন্দর্য উপভোগ করা যাবে। চাইলে চাঁদ দেখতে দেখতে শোনা যেতে পারে চাঁদ ও জ্যোৎস্না নিয়ে প্রিয় কিছু গান।

বাংলা গানের ভাণ্ডারে চাঁদ ও জ্যোৎস্না নিয়ে গানের কিন্তু অভাব নেই। চাঁদ আর জ্যোৎস্না নিয়ে গানে গানে বন্দনা হয়নি কম! চাঁদের জ্যোৎস্নারা নাকি গলে গলে পড়ে। আর ওই জ্যোৎস্নায় নাকি স্নান করা যায়। কেউ কেউ পূর্ণিমার চাঁদে বুঁদ হয়ে থাকে। গলা জ্যোৎস্নার ধারায় স্নান করে। পাগলামি বটে।

'এই ফাগুনি পূর্ণিমা রাতে, চল্‌ পলায়ে যাই'- এই গানে পূর্ণিমার রাতে পলায়ে যাওয়ার আইডিয়াটা খুবই রোমান্টিক লাগে। জ্যোৎস্নায় ভিজতে ভিজতে পালিয়ে যাওয়া। আচ্ছা, ফাগুনে পূর্ণিমা বেশি সুন্দর হয়, নাকি শরতে?

'এই চাঁদ তোমার আমার' গানটায় চাঁদের অধিকারের সুষম বণ্টন হয়েছে, জেন্ডার ইকুইটি ম্যান্টেইন করা হয়েছে। তবে চাঁদের নিজের জেন্ডার পরিচয় নিয়ে ঝামেলা এখনও মেটেনি। দাদীর কাছে চাঁদের বুড়ির গল্প শুনে পরে পাঠ্যপুস্তকে চাঁদ যখন মামা হলো, খট্‌কাটা তখনই শুরু হয়েছে।

'তারা ভরা রাতে তোমার কথা যে মনে পড়ে বেদনায়' এবং 'আকাশের ওই মিটিমিটি তারার সাথে কইবো কথা'- এই দুই গানে চাঁদকে তুচ্ছ করা হয়েছে উল্লেখ না করে।

শুধু তা-ই নয়, চাঁদের আলোর উৎস সম্পর্কে ভুল ধারণা দেয়ার মতো গুরুতর অভিযোগও আছে, যেমনঃ 'মাঝরাতে চাঁদ যদি আলো না বিলায়, ভেবে নেবো তুমি আজ চাঁদ দেখোনি।'

ওদিকে আবার 'চাঁদ দেখতে গিয়ে আমি তোমায় দেখে ফেলেছি'- এখানে চাঁদতে শুধু অবজ্ঞাই করা হয়নি, মানুষের প্রতিপক্ষ হিসেবে দাঁড় করানো হয়েছে। তবে এই গানটাতে অবলা চাঁদের সম্মান বজায় আছে, গুরুত্বটাও অন্যভাবে ফুটে ওঠেছেঃ

'ও চাঁদ, সামলে রেখো জোছনাকে

কারও নজর লাগতে পারে

মেঘেদের ওড়ো চিঠি উড়েও তো আসতে পারে।'

পূর্ণিমার কতো কতো রাতে কতো মানুষ মরে গেছে! কবিতায় যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ/ মরিবার হল তার সাধ– তো আট বছর আগের একদিন। কিন্তু গান শুনে বুঝি, মানুষ জ্যোৎস্না রাতে মরতেও চায়। স্রষ্ঠার কাছে তাই বিনীত নিবেদন- চান্নি পসর রাইতে যেনো আমার মরণ হয়।

শুধু বাংলা নয় ইংরেজি গানেও চাঁদ নানাভাবে রূপায়িত হয়েছে। চাঁদের লৈঙ্গিক পরিচিতি নিয়ে ঝামেলাটা ওই ভাষাতেও আছে। কখনো মিস্টার, আবার কখনও মিস। তবে সত্তর দশকের ব্যান্ড King Harvest-এর এই ভীষণ জনপ্রিয় গানটি এখনও কিন্তু দারুণ লাগে। আনন্দ এখানে অতিপ্রাকৃত হয়ে ঝরে:

We get it almost every night

When that moon is big and bright

It’s a supernatural delight

Everybody’s dancing in the moonlight.

পিবিডি/ এইচ কে

চাঁদ,গান,সুপারমুন
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
close