• শনিবার, ০৬ জুন ২০২০, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭
  • ||

যে কারণে গাড়ির নাম্বার প্লেটে ব্যবহার করা হয় বর্ণমালা

প্রকাশ:  ০৯ মে ২০২০, ২১:৩২
পূর্বপশ্চিম ডেস্ক

যানজটের এই ব্যস্ত নগরীতে জীবনকে সহজ করতে আমরা বেশির ভাগ নাগরিকই ব্যক্তিগত যানবাহন হিসেবে গাড়ি বা মোটরসাইকেল ব্যবহার করি। যে কোন গাড়ির পেছনে বা সামনে থাকে নানা রকমের নাম্বার প্লেট। যেখানে থাকে জেলার নাম, নাম্বারসহ আরো একটি বর্ণ।

রাজপথে বৈধভাবে গাড়ি চালানোর জন্য প্রয়োজন হয় সরকারি অনুমোদিত প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি (বিআরটিএ)-এর অনুমোদন।

সম্পর্কিত খবর

    যানবাহন ব্যবহার করলেও আমরা হয়তো অনেকেই জানি না বাইক বা গাড়ির নাম্বার প্লেটের ক, খ, হ, ল ইত্যাদি অক্ষরগুলো কি অর্থে ব্যবহার করা হয়। এই নাম্বার প্লেট কি অর্থ বহন করে? নাম্বার প্লেটে যেসব তথ্য বহন করে সেগুলো এখানে সংক্ষেপে আলোচনা করা হলো-

    বাংলাদেশের যানবাহনগুলোর নাম্বার প্লেটের ফরম্যাট হচ্ছে- শহরের নাম-গাড়ির ক্যাটাগরি ক্রম এবং গাড়ির নাম্বার। যেমন- ঢাকা মেট্রো য-১১২৫৯৯। এখানে ‘ঢাকা মেট্রো’ দ্বারা বোঝানো হয়েছে গাড়িটি ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকার আওতাধীন।

    ‘য’ হচ্ছে শুধুমাত্র প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের গাড়ির চিহ্নকারী বর্ণ। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আওতাধীন সব গাড়ি ‘য’ বর্ণ দ্বারা চিহ্নিত করা হবে। পরবর্তী ‘১১’ হচ্ছে গাড়িটির রেজিস্ট্রেশন নাম্বার এবং ‘২৫৯৯’ হচ্ছে গাড়ির সিরিয়াল নাম্বার।

    সাধারণত বাংলা বর্ণমালার ‘অ, ই, উ, এ, ক, খ, গ, ঘ, ঙ, চ, ছ, জ, ঝ, ত, থ, ঢ, ড, ট, ঠ, দ, ধ, ন, প, ফ, ব, ভ, ম, য, র, ল, শ, স, হ অক্ষরগুলো ব্যবহার করা হয়। উপরের প্রতিটি বর্ণ আলাদা আলাদা গাড়ির পরিচয় বহন করে।

    ক-৮০০ সিসি প্রাইভেটকার। খ-১০০০-১৩০০ সিসি প্রাইভেটকার। গ-১৫০০-১৮০০ সিসি প্রাইভেটকার। ঘ-জীপগাড়ি। চ-মাইক্রোবাস। ছ-মাইক্রোবাস/লেগুনা (ভাড়ায় চালিত)। জ-বাস (মিনি)। ঝ-বাস (কোস্টার)। ট-ট্রাক (বড়)। ঠ-ডাবল কেবিন পিকআপ। ড-ট্রাক (মাঝারী)। ন-পিকআপ (ছোট)। প-ট্যাক্যি ক্যাব ভ-২০০০+ সিসি প্রাইভেটকার। ম-পিকআপ (ডেলিভারী)। দ-সি এন জি (প্রাইভেট)। থ -সিএনজি (ভাড়ায় চালিত)। হ-৮০-১২৫ সিসি মোটরবাইক। ল-১৩৫-২০০ সিসি মোটরবাইক। ই -ট্রাক (ভটভটি)।

    পূর্বপশ্চিমবিডি/এসএস

    মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
    • সর্বশেষ
    • সর্বাধিক পঠিত
    close