• শনিবার, ২৩ নভেম্বর ২০১৯, ৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৬
  • ||

আন্তর্জাতিক ওপেন একসেস সপ্তাহ ২০১৯ উদযাপিত

প্রকাশ:  ২৭ অক্টোবর ২০১৯, ১৬:২৫
পূর্বপশ্চিম ডেস্ক

“সমতার জন্য মুক্ত জ্ঞান” শ্লোগান সামনে রেখে ‘ওপেন একসেস বাংলাদেশ’ পৃথিবীর অন্যান্য দেশের ন্যায় আন্তজার্তিক ‘ওপেন একসেস’ সপ্তাহ ২০১৯ পালন করেছে।

এ উপলক্ষে সংগঠনটি শনিবার (২৬ অক্টোবর) ঢাকার কবি বেগমসুফিয়া কামাল মিলনায়তনে এক আলোচনা সভা আয়োজন করেছ। বর্নাঢ্য শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে ওপেন একসেস শিক্ষা, তথ্য ও গবেষণা পদ্ধতি ছড়িয়ে দিতে দিবসটি পালিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, গাজীপুর এর ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ গিয়াসউদ্দীন মিয়া। তিনি তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, বাংলাদেশে শিক্ষা ও গবেষণায় এবং টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে ওপেন একসেস এর বিকল্প নেই। জ্ঞানের সমতা নিশ্চিত করতে সারাদেশে ওপেন একসেস আন্দোলন ছড়িয়ে দিতেও তিনি গুরুত্ব আরোপ করেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ও শোভাযাত্রা শেষে আলোচনা সভায় দেশ বরেণ্য শিক্ষাবিদ, সরকারী নীতি নির্ধারক, বিভিন্ন বিষয়ের গবেষক, গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান পেশাজীবি এবং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শতাধিক তরুণ গবেষক ছাত্র-ছাত্রীরা অংশগ্রহণ করেন। আলোচনা সভায় বিশিষ্ট চিকিৎসক ও বঙ্গবন্ধু মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের হেপাটলজি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডাঃ মামুন আল মাহতাব সপ্নীল, সাংবাদিক ও মিডিয়া ব্যক্তিত্ব মাহফুজ মিশু, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এমআইএস বিভাগের অধ্যাপক ডঃ হেলাল উদ্দিন আহমেদসহ দেশ বরেণ্য গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞানীগণ অংশগ্রহণ করেন। আলোচক বৃন্দের সকলেই ওপেন একসেস আন্দোলনের গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং সরকারী ও বেসরকারী পর্যায়ে ওপেন একসেস নীতিমালাথাকার প্রয়োজনীয়তারউপর গুরুত্বারোপকরেন।

বিশিষ্ট চিকিৎসক ও বঙ্গবন্ধু মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের হেপাটলজি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডাঃ মামুন আল মাহতাব সপ্নীল তার বক্তব্যে বাংলাদেশে গবেষণার প্রয়োজনীয়তাও গবেষণা কার্যক্রমে জন সম্পৃক্ততার মতো মৌলিক অপরিহার্যতার কথা তুলে ধরেন। ওপেন একসেস বাংলাদেশ এর সভাপতি কনক মনিরুল ইসলাম বলেন, গবেষণা কর্মের ক্ষেত্রে আমরা যেমন পিছিয়ে আছি তেমনি তথ্যের অভিগম্যতার ক্ষেত্রেও পিছিয়ে আছি। ওপেন একসেস যে তিনটি বিষয় নিয়ে কাজ করে তার মধ্যে রয়েছে উন্মুক্ত তথ্য, উন্মুক্ত গবেষণা ও উন্মুক্ত শিক্ষা। এ সময় তিনি ভবিষ্যতে ওপেন একসেস বাংলাদেশ দেশে ও বিদেশে গবেষকদের মধ্যে জ্ঞানভিত্তিক যোগাযোগ তৈরি করবে এবং নীতি নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সোসাইটি ফর লিডারশীপ স্কীলস ডেভেলপমেন্ট (এসএলএসডি)এর প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক মঈন উদ্দিন চৌধুরী।

উল্লেখ্য, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ বুদাপেস্ট ঘোষণা অনুযায়ী দেশে যাত্রা শুরু করে ‘ওপেন একসেস বাংলাদেশ’। অনলাইন এই প্লাটফর্মটি আন্তজার্তিক ‘ওপেন একসেস’- এর একটি শাখা যারা উন্মুক্ত তথ্য, উন্মুক্ত গবেষণা ও উন্মুক্ত শিক্ষা নিয়ে কাজ করে থাকে। আন্তর্জাতিক ওপেন একসেস সপ্তাহটি পালনে “সোসাইটি ফর লিডারশীপ স্কীলস ডেভেলপমেন্ট (এসএলএসডি)” এবং “ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণা সংসদ”ওপেন একসেস বাংলাদেশের সহযোগী হিসেবে কাজ করছে।


পূর্বপশ্চিমবিডি/এসএম

ওপেন একসেস
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত