Most important heading here

Less important heading here

Some additional information here

Emphasized text
  • রোববার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৭ আশ্বিন ১৪২৬
  • ||

ত্বক অনুযায়ী সানস্ক্রিনের ব্যবহার

প্রকাশ:  ২১ আগস্ট ২০১৯, ১২:১৭ | আপডেট : ২১ আগস্ট ২০১৯, ১২:২৫
পূর্বপশ্চিম ডেস্ক
প্রিন্ট icon

গ্রীষ্ম কিংবা বর্ষা সূর্যে ক্ষতিকর রশ্মি থেকে রক্ষা পেতে অনেকেই সানস্ক্রিন ব্যবহার করে । তবে অনেকই এটিকে সঠিকভাবে ব্যবহার করতে জানেন না৷ ত্বকের রং যাই হোক না কেন সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মির হাত থেকে বাঁচতে সঠিক নিয়ম মেনে এটি ব্যবহার করা একান্ত প্রয়োজন৷

তাই পূর্বপশ্চমের পাঠকদের জন্য সানস্ক্রিন ব্যবহারের পাঁচটি পরামর্শ দেয়া হলো৷

১।সানস্ক্রিন ব্যবহারের সময় এর পরিমাপ অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে৷ ত্বকের যে অংশ গুলি খোলা থাকে সেখানে পর্যাপ্ত পরিমাণে সানস্ক্রিন ব্যবহার করা উচিত৷ বিশেষ করে মুখ, হাত, গলা ও পায়ের পাতায় সানস্ক্রিন ব্যবহার করবেন৷ সানস্ক্রিন না লাগালেও যেমন ত্বকের ক্ষতি হয় তেমনই অতিরিক্ত পরিমাণে সানস্ক্রিন মাখাও ত্বকের ক্ষেত্রে ক্ষতিকর৷

২।এসপিএফ৩০ মাত্রা যুক্ত সানস্ক্রিন ব্যবহার করলেও এটির স্থায়ীত্ব খুব বেশি সময়ের জন্য নয়৷ তাই প্রতি দুই থেকে তিন ঘন্টা অন্তর এটি ব্যবহার করা উচিত৷ বিশেষ করে সাঁতার কাটা বা ঘাম হওয়ার পর৷

৩।সানস্ক্রিনের এসপিএফের মাত্রা অবশ্যই দেখে নিতে হবে৷ যেমন যারা এসপিএফ ১৫ যুক্ত সানস্ক্রিন ব্যবহার করেন তাদের ক্ষেত্রে উপকার খুব একটা হয়না৷ আবার যারা এসপিএফ ২৫ ব্যবহার করেন তারাও এসপিএফ ১৫’র মতোই উপকার পান৷ তাই এসপিএফ যত বেশি হবে ত্বকের সুরক্ষা ততবেশি বজায় থাকবে৷ তাই অন্তত এসপিএফ ৩০’এর বেশি মাত্রার সানস্ক্রিন ব্যবহার করবেন৷

৪।যদি বাইরে বাইরে ঘুরে কাজ করতে হয় সে ক্ষেত্রে অবশ্যই এসপিএফ ৩০ বা তার বেশি মাত্রার সানস্ক্রিন ব্যবহার করা উচিত৷ কেনার আগে অবশ্যই দেখে নিতে হবে এটি সোয়েটপ্রুফ ও ওয়াটার প্রুফ কিনা৷ কম মাত্রার এসপিএফ যুক্ত সানস্ক্রিন ব্যবহার করলে বারবার এটিকে ব্যবহার করতে হবে৷

৫।সবসময় এমন সানস্ক্রিন ব্যবহার করবেন যেটি ইউভিবি ও ইভিএ দুই প্রকারের রশ্মি থেকেই ত্বকে সুরক্ষিত রাখতে পারে৷ কারণ ইউভিএ রশ্মি দীর্ঘসময়ের জন্য ত্বকের উপর প্রভাব ফেলতে পারে এবং ইউভিবি রশ্মির ফলে সানবার্ন হতে পারে।

নিজের ত্বক অনুযায়ী সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন

কিন্তু ব্যবহার করলেই তো হল না। সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে হবে নিজের ত্বক অনুযায়ী। নইলে দামি কোম্পানির সানস্ক্রিন ব্যবহার করলেও ট্যানের সমস্যা থেকে মুক্তি মিলবে না।

আমরা অনেকেই জানি না কোন ত্বকের জন্য কেমন সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে হবে। তাই কেনার আগে জেনে নিন কোন ধরনের সানস্ক্রিন আপনার ত্বকের জন্য উপযুক্ত।

অয়েলি স্কিন :

যাদের ত্বক তৈলাক্ত, তারা এমন সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন যা ত্বকের আদ্রতা বজায় রাখার সঙ্গে সঙ্গে ত্বককে রাখবে তেল মুক্ত। তৈলাক্ত ত্বকে ব্রণ বা ফুসকুড়ির সমস্যা হতে পারে। তাই সানস্ক্রিন লোশন বা স্প্রে ব্যবহার করুন। যাদের ত্বকে ব্রণ বা ফুসকুড়ির সমস্যা রয়েছে গরম বাড়লে তাদের সমস্যা আরও বেড়ে যায়। এক্ষেত্রে কোনও রাসায়নিক মিশ্রিত, কৃত্রিম সুগন্ধি যুক্ত সানস্ক্রিন এড়িয়ে চলুন।

ড্রাই স্কিন :

যাদের ত্বক শুষ্ক, তারা ময়শ্চারাইজিং সানস্ক্রিন ব্যবহার করলে সবচেয়ে ভাল ফল পাবেন। কারণ এই ধরনের সানস্ক্রিন ত্বকের আদ্রতা বজায় রাখতে সাহায্য করে।

সেন্সিটিভ স্কিন :

যদি আপনার ত্বক সংবেদনশীল হয়, তবে প্যারাবেন বা অক্সিবেন জোন যুক্ত সানস্ক্রিন এড়িয়ে চলুন। এই ধরনের সানস্ক্রিন ব্যবহার করলে ত্বকে র‌্যাশ দেখা দিতে পারে। টাইটেনিয়াম ডাই অক্সাইড বা জিঙ্ক অক্সাইডযুক্ত সানস্ক্রিন ব্যবহার করলে ভাল ফল পাবেন। ত্বক রক্ষার জন্য ন্যূনতম এসপিএফ ৩০ প্রয়োজন। যাদের ত্বকের রং ফর্সা, তারা এসপিএফ ৫০+ সানস্ক্রিন ব্যবহার করলে সবচেয়ে ভাল ফল পাবেন।


পূর্বপশ্চিমবিডি/লা-মি-য়া

সানস্ক্রিন
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত