Most important heading here

Less important heading here

Some additional information here

Emphasized text
  • শুক্রবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৫ আশ্বিন ১৪২৬
  • ||
শিরোনাম

ঈদে অনিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাস, স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে করণীয়

প্রকাশ:  ১৮ আগস্ট ২০১৯, ১৪:১৪ | আপডেট : ১৮ আগস্ট ২০১৯, ১৪:৪৫
পুর্বপশ্চিম ডেস্ক
প্রিন্ট icon

কোরবানির ঈদ মানেই চারিদিকে মাংসের ছড়াছড়ি। এ ঈদে অতিভোজন ও অনিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাসের ফলে আমাদের নানাবিধ শারীরিক সমস্যা দেখা দেয়। এ ক্ষেত্রে আমরা একটু সচেতন থাকলে ঈদ-পরবর্তী বিভিন্ন স্বাস্থ্যঝুঁকির হাত থেকে রক্ষা পেতে পারি।

ঈদ-পরবর্তী যে সকল স্বাস্থ্যঝুঁকি হতে পারে

১. এসিডিটি, ব্যথা ও বমি বমি ভাব,

২. রক্তচাপ বেড়ে যাওয়া,

৩. ডায়রিয়া ও আমাশ,

৪. কোষ্ঠকাঠিন্য পেটে গ্যাস,

৫. স্ট্রোক ও হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বেড়ে যাওয়া,

৬. রক্তে সুগারের মাত্রা বেড়ে যাওয়া,

৭. রক্তের চর্বি বেড়ে যাওয়া,

৮. ওজন বেড়ে যাওয়া,

৯. পায়খানার রাস্তায় জ্বালাপোড়াসহ রক্তক্ষরণ,

১০. ভ্রমণজনিত শারীরিক দুর্বলতা,

১১. পানিশূন্যতা,

১২. খাবারে অরুচি,

১৩. ঘুম কম হওয়া।

এ সকল স্বাস্থ্যঝুঁকি থেকে বাঁচতে যা যা করণীয়

১. যেহেতু এ সময় কোষ্ঠকাঠিন্যর প্রবণতা বৃদ্ধি পায়, ফলে তা প্রতিরোধে মাংস কম খেয়ে সালাদ, লেবু, শসা, কাঁচামরিচসহ বেশি করে শাকসবজি খেতে হবে।

২. ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে হলে ক্যালরি হিসাব করে খাবার খেতে হবে।

৩. ডায়রিয়া, আমাশয় প্রতিরোধে বিশুদ্ধ পানি পান করতে হবে ও বাইরের খাবার পরিহার করতে হবে।

৪. এ সময় রক্তচাপ বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভবনা বেড়ে যায় বলে, এটি নিয়ন্ত্রণ রাখতে লবণযুক্ত, চর্বিযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলতে হবে।

৫. হজম শক্তি বাড়ানোর জন্য টক দই খেতে পারেন।

৬. বাজারের কোমল পানীয় না খেয়ে বেশি করে বিশুদ্ধ পানি ও তরল খাবার, ডাবের পানি, বাসায় বানানো দেশি ফলের জুস খেতে হবে।

৭. রক্তের সুগার নিয়ন্ত্রণ রাখতে কম চিনিযুক্ত খাবার খেতে হবে।

৮. মাংসের ফ্রাই ও বারবিকিউ খাওয়া ঠিক নয়। এতে স্বাস্থ্যঝুঁকি বৃদ্ধি পায়।

৯. ঈদে খাবারে ক্ষতিকর রং, লবণ, ঘি, মাখন, পাম অয়েল ব্যবহারযুক্ত কোনো খাবার না খাওয়াই উত্তম।

১০.ব্যায়াম আগের মতোই চালিয়ে যেতে হবে।


পুর্বপশ্চিমবিডি/লা-মি-য়া

স্বাস্থ্য
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত