Most important heading here

Less important heading here

Some additional information here

Emphasized text
  • সোমবার, ২৬ আগস্ট ২০১৯, ১১ ভাদ্র ১৪২৬
  • ||

ডায়েটে কিছু ফ্যাটি খাবার যোগ করুন

প্রকাশ:  ১৬ জুলাই ২০১৯, ১৪:৪৮ | আপডেট : ১৬ জুলাই ২০১৯, ১৪:৫৩
পূর্বপশ্চিম ডেস্ক
প্রিন্ট icon

বর্তমান সময় প্রায় সকলেই চান যুগের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে, ফিট থাকতে। আর শারীরিক ভাবে সুস্থ ও ফিট থাকার জন্য অধিকাংশ মানুষ ডায়েট করেন বা দায়েট চার্ট মেনে চলেন। স্বাভাবিকভাবেই খাবারের তালিকা থেকে বাদ রেখেছেন কিছু ফ্যাটি জাতীয় খাবার। আপনি হয়ত নিজেও জানেন না যে- এতে বাদ পড়ে গেছে আপনার জন্য দরকারি কিছু খাবার। খাবারগুলোর নাম শুনে অবাক হওয়ার কিছু নেই। চলুন কিভাবে এগুলো আপনার শরীরের উপকার করে তা একবার দেখে নেয়া যাক-

১। বাদাম

অনেকেই মনে করেন, বাদাম খেলে শরীরে ফ্যাট জমা হয়। সেই ফ্যাট নাকি মোটেই ভালো নয়। কিন্তু ডায়েটিশিয়ানদের মতামত বরং উল্টোটা। আখরোট, আমন্ড ইত্যাদি বাদামগুলোয় থাকে হেল্দি ফ্যাট। শুধু ফ্যাট নয়, বাদাম ভিটামিন ই, প্রোটিন আর ফাইবারে সমৃদ্ধ একটি খাবার যা শরীরের প্রয়োজনীয় প্রোটিনও জোগায়। বাদামে থাকে ম্যাগনেশিয়াম এর মত খনিজ পদার্থ যা শরীরে খুব কম পরিমাণে থাকে। এমনকি বাদাম ছাড়া খুব কম খাবারেই ম্যাগনেসিয়াম থাকে। বিভিন্ন সমীক্ষায় প্রমাণিত হয়েছে বাদাম নিয়মিত খেলে যেমন হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে, তেমনই ওবেসিটির থেকে শরীরকে বাঁচিয়ে রাখে। শুধু তাই নয়, টাইপ টু ডায়াবেটিস এর মত রোগও সহজে কাবু করতে পারে না।

২। ডিম

এতদিন জানতেন ডিম খেলে বেড়ে যায় কোলেস্টেরল। তাই কন্ট্রোলড ডায়েট থেকে ডিম যেমন বাদ রাখা উচিত, তেমনই হার্টের রোগীদেরও ডিম থেকে দূরে থাকা উচিত। তবে বিদেশে হওয়া সাম্প্রতিক সমীক্ষাগুলো কিন্তু অন্যরকম কথা বলছে। প্রায় সত্তর শতাংশ মানুষের ক্ষেত্রে দেখা গিয়েছে , ডিম খেলে রক্তে বাজে কোলেস্টেরলের পরিমাণ বাড়ে না। বরং ডিমে রয়েছে বেশকিছু মাল্টিভিটামিনস্ যা শরীরের কোশগঠন থেকে রোগপ্রতিরোধ এসব ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ব্রেনের কোশের উন্নতির জন্য প্রয়োজনীয় কোলিন নামক পদার্থটি ডিমের মধ্যেই থাকে। এছাড়াও ডিমে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা দৃষ্টিশক্তি প্রখর করতে সাহায্য করে।

৩। ডার্ক চকোলেট

চকোলেটের নাম শুনলেই দশ পা দূরে থাকবেন যারা ডায়েট মেনটেন করছেন। ডার্ক চকোলেটে ৭০ শতাংশের বেশি কোকো থাকে। আর তাই ফ্যাটের পরিমাণ প্রায় ৬৪ শতাংশ। কিন্তু ফ্যাট ছাড়াও এতে রয়েছে ফাইবার আর আয়রন, ম্যাঙ্গানিজ ইত্যাদির মত গুরুত্বপূর্ণ খনিজ পদার্থ। শুধু তাই নয়, ডার্ক চকোলেটে থাকা প্রচুর পরিমাণ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট স্ট্রেস কমাতে প্রচন্ড সাহায্য করে। পাশাপাশি ব্লাড প্রেশার কমাতেও এই অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট প্রয়োজন।

৪। অলিভ

অলিভেও কিন্তু ফ্যাটের পরিমাণ রয়েছে। তবে এই ফ্যাটের বেশিরভাগ অংশই হল মনোআনস্যাচুরেটেড ফ্যাট যা মোটেই ক্ষতিকর নয়। অলিভ বয়সের সঙ্গে হাড় দুর্বল হয়ে পড়া ও তার ক্ষয়ে যাওয়া প্রতিরোধ করে। আবার বিজ্ঞানীদের মতে, অলিভে থাকা হাইড্রক্সিটাইরোসল নামক উপাদানটি ক্যান্সারের মত মারণরোগকেও শরীরের থেকে দূরে রাখে।

৫। রাঙা আলু

একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, এই সবজিটিতে উপস্থিত বিটা-ক্যারোটিন এবং নানাবিধ উপকারি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরে প্রবেশ করার পর এমন খেল দেখায় যে শরীরের রোগ প্রতিরোধক ব্যবস্থা শক্তিশালী হয়ে উঠতে সময় লাগে না। আর এমনটা যখন হয়, তখন যে কোনও রোগই মারণ ছোবল মারতে পারে না, তা কি আর বলার অপেক্ষা রাখে!

৬। ফ্যাটি মাছ

ডায়েটে মাছ থাকলেও ফ্যাটি মাছ একেবারেই নয়। এমনটাই ঠিক করে রেখেছেন মনে মনে। অথচ জানেন কি কিছু মাছের ফ্যাট হৃদরোগের মত সমস্যা থেকেও বাঁচাতে পারে মানুষকে। স্যালমন, সার্ডিন, ম্যাকারেল ইত্যাদি মাছের ফ্যাটে থাকে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিডের মত এসেনশিয়াল ফ্যাট যা হার্টের স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে যথেষ্ট প্রয়োজনীয়।

৭।অ্যাভোকাডো

একটা অ্যাভোকাডোতে রয়েছে প্রায় ২৩ গ্রাম মত ফ্যাট কিন্তু তা সত্ত্বেও এক অ্যাভোকাডোর অনেক গুণ। প্রতিদিন শরীরের প্রয়োজনীয় ফাইবারের প্রায় চল্লিশ শতাংশ একটা অ্যাভোকাডোতেই পাওয়া যায়। অ্যাভোকাডোয় থাকা লিউটিন নামক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বয়সের সঙ্গে সঙ্গে চোখের দৃষ্টিশক্তি নষ্ট হওয়ার থেকে রক্ষা করে।

৮।মাশরুম

নানা রোগের মার থেকে বাঁচাতে যে যে রোগগুলো বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে, তার অন্যতম হল মাশরুম। আসলে এই প্রকৃতিক উপাদানটির ভিতরে উপস্থিত বেশ কিছু উপকারি উপাদান শ্বেত রক্ত কণিকার কর্মক্ষমতাকে বাড়িয়ে তোলে। ফলে জটিল হোক কী সাধারণ, কোনও রোগই শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে ভেঙে দেহের ভিতরে প্রবেশ করতে পারে না। ফলে রোগের মারে শরীর ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা যায় কমে।


পূর্বপশ্চিমবিডি/লা-মি-য়া

ডায়েটে
apps
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত