Most important heading here

Less important heading here

Some additional information here

Emphasized text
  • বৃহস্পতিবার, ২৭ জুন ২০১৯, ১৩ আষাঢ় ১৪২৬
  • ||

প্রবাসী সাংবাদিক-লেখক আবদুর রহিম আজাদ আর নেই

প্রকাশ:  ০৩ জুন ২০১৯, ০০:৫৯ | আপডেট : ০৩ জুন ২০১৯, ০২:০৩
গোলাম মোস্তফা
প্রিন্ট icon

যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বিশিষ্ট সাংবাদিক, রাজনৈতিক, এবং লেখক আবদুর রহিম আজাদ গত ৩১ মে নিউ ইয়র্ক স্থানীয় সময় বিকেল ৫টা ৪৮ মিনিটে হৃদরোগের জটিলতা জনিত রোগে মন্টিফিয়োরী মেডিক্যাল সেন্টারে তিনি ইন্তেকাল করেন।

বর্নাঢ্য জীবনের অধিকারী জনাব আজাদ অধুনা ঝালাকাঠি জেলায় ১৯৩৯ সালে সম্ভ্রান্ত এক ভূস্বামী পরিবারে জন্মলাভ করেন। ছাত্র জীবনে জনাব আজাদ বরিশাল বিএম কলেজের ভিপি নির্বাচিত হন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র থাকাকালীন সময়ে অবিভক্ত পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৬২ সালের শরীফ কমিশন বিরোধী আন্দোলনে তিনি মূখ্য নেতৃত্ব দিয়েছেন। সাংবাদিক হিশেবে দৈনিক সংবাদে তাঁর কর্মজীবন শুরু। সংবাদ ছাড়াও কাজ করেছেন দৈনিক ইত্তেফাক, দৈনিক আজাদ, দৈনিক মর্নিং নিউজ, দৈনিক দেশ, সাপ্তাহিক নয়াযুগ, সাপ্তাহিক হক-কথা সহ অন্যান্য সংবাদপত্রে। যুদ্ধোত্তর বাংলাদেশে দৈনিক আজাদের ব্যাবস্থাপনা পরিচালক এবং প্রধান সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। মাওলানা ভাসানীর ঘনিস্ট সহচর জনাব আজাদ মাওলানা ভাসানী প্রতিষ্ঠিত সাপ্তাহিক হক-কথা পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদকের দায়িত্বও পালন করেছেন।

সাংবাদিকতা ও পেশাজীবী আন্দোলনের পাশাপাশি ইউনাইটেড পিপলস্ পার্টির সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট হিশেবে তিনি প্রগতিশীল বাম রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। যুক্তরাষ্ট্রের ডেমোক্র্যাটিক পার্টিতেও ছিলো তাঁর সক্রিয় ভূমিকা। দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বহু সংগঠনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ওরেগন স্ট্যেটের ওয়ার্ল্ড পিস ইউনিভার্সিটির আন্তর্জাতিক বোর্ড অব রিজেন্টের সদস্য ছিলেন জনাব আজাদ। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক পুত্র, দুই কন্যা, এবং পাঁচ প্রপৌত্র ও প্রপৌত্রী রেখে যান।

ডজনের অধিক গ্রন্থের প্রনেতা জনাব আজাদের উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের মধ্য আছে “শেখ মুজিবের হত্যাকারী কে?” এবং শাহ আহমদ রেজার সাথে যুগ্মভাবে লিখিত “একুশ দফা থেকে পাঁচ দফা”। বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় তাঁর অসংখ্য লেখা ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে।

apps
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত