• মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২০, ২৭ শ্রাবণ ১৪২৭
  • ||

সঙ্গীত শিল্পী না হলে শিক্ষক হতাম: জুলি শারমিলী

প্রকাশ:  ০৫ জুলাই ২০২০, ২১:৩২ | আপডেট : ০৫ জুলাই ২০২০, ২১:৪৪
বিনোদন ডেস্ক

জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী জুলি শারমিলীর জন্মদিন আজ রোববার (৫ জুলাই)। তবে মহামারি করোনার ছোবলে এ বছর জন্মদিন উপযাপন করছেন না তিনি। করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে যারা সামনের দিকে আছেন, সেই চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী ও পুলিশদের প্রতি সম্মান জানাতে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। করোনায় যারা মৃত্যুবরণ করেছেন তাদের সকলের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেছেন এবং যারা অসুস্থ আছেন তাদের সুস্থতা কামনা করেছেন তিনি।

জুলি শারমিলী ঢাকার মেয়ে। ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার নাগপাড়া গ্রামের মুক্তাগীর আলমের সহধর্মিণী তিনি। তার এক ছেলে ও এক মেয়ে। ছেলে দশম শ্রেণিতে ও মেয়ে প্রথম শ্রেণিতে পড়ে। জন্মদিনে এই গুণী শিল্পী জানিয়েছেন সঙ্গীত জীবনের নানা কথা।

সম্পর্কিত খবর

    সঙ্গীত শিল্পী না হলে কি হতেন? জানতে চাইলে জুলি শারমিলী বলেন, শিক্ষক হওয়ার ইচ্ছা ছিল। স্কুলের শিক্ষার্থীদের পড়াতে আমার খুবই ভালো লাগে।

    জুলি শারমিলী জানান, আমি ছোট বেলায় লতাজির গান বেশি শুনতে ও গাইতে চেষ্টা করতাম। খুব পছন্দ করতাম। আর, রুনা, সাবিনা, প্রতিমা, আশা, নির্মলা মিশ্র ও গীতা দত্তের গান আমার খুব ভালো লাগতো।

    তিনি জানান, গ্রামার বলতে গানের ক্ল্যাসিকাল বুঝি, উচ্চাঙ্গ সংগীত। আমি এটা বলবো না যে খুব বেশি পারদর্শী হতে হবে। তবে বেইজটা প্রয়োজন। উচ্চাঙ্গ সংগীত চর্চা না থাকলে সব গান গাওয়া কঠিন। প্রতিদিন রেওয়াজ করা, প্র্যাকটিস করা, গলা সাধা প্রয়োজন। অবশ্যই শুদ্ধ উচ্চরণ এর দিকে খেয়াল রাখতে হবে।

    জুলি শারমিলী জানান, একজন শিল্পীর জীবনে শ্রোতা দর্শকই আসল। দর্শক শ্রোতাই একজন শিল্পীর জীবন দেয়। বিভিন্ন প্রচার মাধ্যমে যখন গান করি শ্রোতা দর্শকরা যেভাবে সাড়া দেয় তাতে আমি অবিভুত হয়ে পড়ি এবং উৎসাহ পাই। এর চেয়ে বড় পুরস্কার একজন শিল্পীর জন্য কি আর আছে বলুন?

    তিনি জানান, এ পর্যন্ত আমার বেশ কয়েকটি একক এবং ডুয়েট অ্যালবাম বের হয়েছে। তার মধ্যে বাংলা আধুনিক গান, নজরুল সঙ্গীত, রবীন্দ্র সঙ্গীত, হিন্দি, উর্দু, গীত এবং গজলের একক অ্যালবাম বের হয়েছে।

    প্রতিভাবান এ শিল্পী জানান, আমি ছোটবেলা থেকেই গান করে আসছি। আমি সব ধরণের গান গেতে স্বাচ্ছন্দ বোধ করি। আমার মনে হয় চর্চা করলে সব ধরণের গানই করা সম্ভব। প্রথমে আমার সঙ্গীতের হাতেখড়ি মধুমহন দাসের কাছে তারপর ছায়ানটে ৫ বছর। পরবর্তীতে উস্তাদ নিয়াজ মোহাম্মদ চৌধুরীর কাছে দীর্ঘ ১৫ বছর তালিম নিয়েছি। তারপরে সঞ্জিব দে, অনিল কুমার সাহা এবং আজাদ রহমানের কাছে উচ্চাঙ্গসঙ্গীতের তালিম নিয়েছি। এছাড়া ফেরদৌস আরা এবং সুজিত মুস্তাফাসহ অনেকের কাছে গান শিখেছি।

    জুলি শারমিলী জানান, শ্রোতা দর্শকরা একজন শিল্পীর সব, কারণ তাদের কারণেই শিল্পীরা কাজের উৎসাহ পান। আমার জন্মদিন উপলক্ষে একুশে টেলিভিশন আজ সকালে ১ ঘণ্টা ব্যাপী আমার গানের অনুষ্ঠান ‘চায়ের সকাল’ সম্প্রচার করেছে। রাত ৯ টায় নজরুল সংগীত শিল্পী পরিষদ কর্তৃক আয়োজিত ‘কান্ডারী হুঁশিয়ার’ শীর্ষক অনলাইন শ্রোতার আসরে অংশ নিয়েছি। দর্শক শ্রোতারা আমার জন্য দোয়া করবেন যেন আরও ভালো গান আপনাদের উপহার দিতে পারি। যে যেখানে আছেন, স্বাস্থ্যবিধি ও সরকারি নির্দেশনা মেনে চলুন। সবাই সুস্থ থাকুন, নিরাপদে থাকুন।

    পূর্বপশ্চিমবিডি/এসএস

    জুলি শারমিলী
    মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
    • সর্বশেষ
    • সর্বাধিক পঠিত
    close