Most important heading here

Less important heading here

Some additional information here

Emphasized text
  • রবিবার, ২০ অক্টোবর ২০১৯, ৪ কার্তিক ১৪২৬
  • ||

শাকিবের বিরুদ্ধে ফাইট ডিরেক্টর শামীমের অভিযোগ

প্রকাশ:  ০৮ অক্টোবর ২০১৯, ১৫:৪৪
বিনোদন প্রতিবেদক
প্রিন্ট icon

আগামী ২৫ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে শিল্পী সমিতির নির্বাচন। তবে এই নির্বাচনে ভোট দিতে পারছেন না ফাইট ডিরেক্টর শামীম। আর এর কারণ হিসেবে জানান শাকিব খানের নাম। তিনি অভিযোগ করেছেন চিত্রনায়ক শাকিব খান অন্যায়ভাবে তার শিল্পী সমিতির সদস্যপদ বাতিল করেছেন। শামীমের সদস্যপদ বাতিল হয় ২০১৫-১৬ মেয়াদে। ওই সময় সমিতির সভাপতি ছিলেন চিত্রনায়ক শাকিব খান ও সাধারণ সম্পাদক ছিলেন অভিনেতা অমিত হাসান।

তার সদস্য পদ বাতিলের পর নতুন করে ভোটার তালিকায় তার নাম পুনরায় সংযোজন করা হয়নি। এ ব্যাপারে গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় শিল্পী সমিতির সভাপতি মিশা সওদাগর ও সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খানের কাছে উকিল নোটিশ নিয়ে হাজির হন তিনি।

শামীম বলেন, প্রায় চার বছর আগে শাকিব খানের সঙ্গে আমার ঝামেলা হয়। এরপর দেশের বাইরে শুটিং করার সময় উনার সঙ্গে আমার হাতাহাতি হয়। যে কারণে ব্যক্তিগত জেলাসি থেকে শাকিব খান অন্যায় ভাবে আমার সদস্য পদ বাতিল করেন। গত নির্বাচনে আমি জায়েদ খানের পক্ষে নির্বাচন করেছি। নির্বাচনের রাতে শাকিব খান নির্বাচনী বুথে প্রবেশ করার সময় আমি প্রতিবাদ করেছি। সে সময় শিল্পীদের তোপের মুখে শাকিব খান এফডিসি ছাড়তে বাধ্য হন। সকালে দেখি জায়েদ এক নম্বর, আমি দুই নম্বর আসামি। আমাদের নামে মামলা করা হয়েছে।’

শামীম আরও বলেন, কীভাবে আমার সদস্য পদ বাতিল করা হয়েছে বিষয়টি জায়েদ খান জানেন। আমি মনে করেছিলাম বিষয়টি সুরাহা করে তারা আবারও আমার ভোটাধিকার ফিরিয়ে দেবেন। শিল্পী সমিতির নির্বাচন সামনে রেখে প্রকাশিত ভোটার তালিকায় আমার নাম না দেখে আমি বর্তমান সভাপতি সম্পাদকের কাছে উকিল নোটিশ নিয়ে এসেছি। শিল্পী সমিতির বর্তমান কমিটি নয় শাকিব- অমিত প্যানেল অন্যায়ভাবে আমার সদস্যপদ বাতিল করেছিল।

উকিল নোটিশ নিয়ে চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খান বলেন, শেখ শামীম ভাই অনেক সিনিয়র একজন ফাইট ডিরেক্টর। আমি নিজেও তার ডিরেক্শনে কাজ করেছি। উনার সদস্য পদ ফিরিয়ে দেওয়া আমাদের দায়িত্ব ছিল। তবে তিনি গত দুই বছরে আমাদের কাছে আসেননি, যে কারণে সদস্য পদ ফিরিয়ে দেওয়া হয়নি। শাকিব খান- অমিত প্যানেল যখন শিল্পী সমিতির দায়িত্বে ছিল তখন উনার সদস্য পদ বাতিল করা হয়।

জায়েদ আরো বলেন, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে শিল্পী সমিতি নিয়ে অনেক ধরনের খবর প্রকাশ করা হচ্ছে, যা চলচ্চিত্রের শিল্পী ও শিল্পের জন্য ক্ষতিকর। অনেকেই নিউজ করেছে আমরা নাকি অন্যায় ভাবে শেখ শামীম ভাইয়ের সদস্য পদ বাতিল করেছি। না জেনে, কোনো উদ্দেশ্য নিয়ে এমন নিউজ করা হচ্ছে বলে আমার মনে হয়।

আগামী ২৫ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির দ্বিবার্ষিক নির্বাচন। ২১টি পদের বিপরীতে ২৬টি ফরম জমা পড়েছে। যাচাই-বাছাইয়ের পর গত শনিবার চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশনার।

এর মধ্যে সংস্কৃতি ও ক্রীড়া সম্পাদক পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল ইসলামের প্রার্থিতা বাতিল হওয়ায় এ পদে জ্যাকি আলমগীর বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়েছেন। সাইফুল ইসলাম চলচ্চিত্র নৃত্যপরিচালক সমিতির সহসভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। এ জন্য তাঁর প্রার্থিতা বাতিল করা হয়েছে বলে নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যায়।

এ ছাড়া সাংগঠনিক সম্পাদক পদে সুব্রত ও কোষাধ্যক্ষ পদে ফরহাদের বিপরীতে কোনো প্রার্থী না থাকায় তাঁরাও বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হন।

সংগঠনটির দ্বিবার্ষিক নির্বাচনের শুরু থেকেই মিশা-জায়েদ ও মৌসুমী-তায়েব প্যানেলের নাম শোনা যাচ্ছিল। দুই প্যানেল থেকে মনোনয়নপত্র কিনলেও শেষ পর্যন্ত মৌসুমী-তায়েব প্যানেলের শুধু মৌসুমী স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে লড়ছেন। তাছাড়া সহসভাপতি পদে নানা শাহ, সাধারণ সম্পাদক পদে ইলিয়াস কোবরা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে সাঙ্কু পাঞ্জা স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

পূর্বপশ্চিমবিডি/এএ

শাকিব খান,ভোট,শিল্পী সমিতি,নির্বাচন
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত