Most important heading here

Less important heading here

Some additional information here

Emphasized text
  • রবিবার, ২০ অক্টোবর ২০১৯, ৪ কার্তিক ১৪২৬
  • ||

গত দুই বছরে মিশা-জায়েদের যত অর্জন 

প্রকাশ:  ০৭ অক্টোবর ২০১৯, ১৫:৪৯
বিনোদন প্রতিবেদক
প্রিন্ট icon

আর মাত্র কিছু দিন পরই অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে তাইতো চলচ্চিত্র পাড়ায় বেশ উৎসবের আমেজ। এবারের নির্বাচনে গতবারের মতো একই প্যানেল থেকে নির্বাচন করছেন মিশা-জায়েদ। আর পাশে বরাবরের মতই আছেন সিনিয়র শিল্পীরা।

এদিকে নির্বাচনের আগেই নির্বাচনে ২১টি পদের বিপরীতে ২৬টি ফর্ম জমা পড়েছে। যাচাই-বাছাইয়ের পর গতকাল শনিবার চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশনার।তবে নির্বাচনের আগেই মিশা-জায়েদ প্যানেলের তিন জন প্রার্থী জয়ী হয়েছেন। সব কিছু মিলিয়ে বেশ এগিয়ে আছে মিশা-জায়েদ প্যানেল।

গত দুই বছরের সফলতা ও ব্যর্থতা নিয়ে কথা বলেছেন শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক চিত্রনায়ক জায়েদ খান। শিল্পীদের স্বার্থে উল্লেখযোগ্য কী কাজ করেছেন জানতে চাইলে জায়েদ খান বলেন, সমিতির ফান্ডে টাকা এনেছি। এই আমলে শিল্পীদের সহায়তা করেছি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে অনুদানের ক্ষেত্রে শিল্পী সমিতির ভূমিকা ছিলো। এরই মধ্যে আমরা যাদের হারিয়েছি শিল্পী সমিতি নিজ খরচে তাদের লাশ এফডিসিতে এনেছে। শিল্পীদের বিনামূল্যে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছি।

জায়েদ খান আরও বলেন, শিল্পীদের জন্য কল্যাণ ট্রাস্ট করা হয়েছে। যেটা মন্ত্রণালয়ে পাশ হয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর টেবিলে। চলচ্চিত্র পুরস্কারের সময় মানীয় প্রধানমন্ত্রী সেটা ঘোষণা করবেন। আমরা গরু কোরবানী দিয়ে শিল্পীদের বাসায় বাসায় দিয়ে আসছি। অনিয়মে বাইরের শিল্পী আসা বন্ধ করেছি। এটাও শিল্পীদের স্বার্থে। শিল্পীদের বিপদে আমরা পাশে দাঁড়িয়েছি।

সিনিয়র শিল্পীরা এফডিসি মুখী হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমাদের প্যানেল গতবার জয়ী হবার পর অনেক সিনিয়র শিল্পীদের এফডিসি মুখী করেছি। যারা কিনা বেশ লম্বা সময় চলচ্চিত্র তথা এফডিসি থেকে দূরে ছিলেন।

বর্তমান কমিটিতে থাকাকালীন ব্যর্থতা স্বীকার করে জায়েদ বলেন, ‘ব্যর্থতা বলতে আমরা চাচ্ছিলাম শিল্পীদের জন্য বাসস্থানের ব্যবস্থা করা। যেটা দুই বছরে সম্ভব হয়নি। আমার মনে হয় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এটা চাইলেই হয়ে যাবে। আমরা তার সঙ্গে দেখা করে এটা চাইবো। শিল্পীরা কারো কাছে হাত পাততে চায় না। খুব অভিমানী তারা। শিল্পীরা কাজ চায়।

মিশা-জায়েহ প্যানেলকে শিল্পীরা কেন ভোট দিবে জানতে চাইলে জায়েদ খান বলেন, আমার দুই বলছরে কী করেছি তা শিল্পীরা দেখেছে। আসলে পর্দায় সুপারস্টার হওয়া যায় ঠিকই তবে সেটা দর্শকদের জন্য। আর শিল্পীসমিতির একজন ভালো নেতা হতে হলে এফডিসির শিল্পীদের পাশে থাকতে হবে। যা আমি গত দুই বছর কেনো এর আগে থেকেই নানা ভাবে করে আসছি।

সংগঠনটির দ্বি-বার্ষিক নির্বাচনের শুরু থেকেই মিশা-জায়েদ ও মৌসুমী-তায়েব প্যানেলের নাম শোনা যাচ্ছিল। দুই প্যানেল থেকে মনোনয়নপত্র কিনলেও শেষ পর্যন্ত মৌসুমী-তায়েব প্যানেলের শুধু মৌসুমী স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে লড়ছেন। তাছাড়া সহ-সভাপতি পদে নানা শাহ, সাধারণ সম্পাদক পদে ইলিয়াস কোবরা, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক পদে সাঙ্কু পাঞ্জা স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

এদিকে শিল্পী সমিতির নির্বাচন করতে যাচ্ছেন জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা মৌসুমী। কিন্তু হুট করেই অভিযোগ উঠেছে যে তাকে নির্বাচন থেকে সরে যেতে উপর মহল থেকে চাপ দেয়া হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে জায়েদ খান বলেন, শিল্পীরা স্বাধীন। আর উপর মহল কী বা কারা সেটী তাদের একটু তাদের বলতে বলুন। আসলে এসবই ভিত্তিহীন কথা।

প্রসঙ্গত, এবারের শিল্পী সমিতির নির্বাচনের প্রধান নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব পালন করবেন চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন। বর্তমান কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়ার চার মাস বিলম্বে অনুষ্ঠিত হচ্ছে নির্বাচন। প্রথমে আগামী ১৮ অক্টোবরের নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করা হয়েছিল। পরে নির্বাচনের নতুন তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে ২৫ অক্টোবর।

পূর্বপশ্চিমবিডি/এএ

চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি,নির্বাচন,মিশা,জায়েদ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত