Most important heading here

Less important heading here

Some additional information here

Emphasized text
  • মঙ্গলবার, ২০ আগস্ট ২০১৯, ৫ ভাদ্র ১৪২৬
  • ||

শাকিব-জাজ দ্বন্দ্ব, হতে পারে মামলা

প্রকাশ:  ০৭ আগস্ট ২০১৯, ১৬:০৫ | আপডেট : ০৭ আগস্ট ২০১৯, ১৬:১১
বিনোদন প্রতিবেদক
প্রিন্ট icon

ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় চিত্রনায়ক ঈদের আগের দেশের দেড়শ প্রেক্ষাগৃহে নিজস্ব প্রজেক্টর ও সার্ভার বসানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ইতোমধ্যে পাঁচটি প্রেক্ষাগৃহে আওতায় নিয়ে এসেছে প্রযোজনা সংস্থা এসকে ফিল্ম।

চিত্রনায়ক শাকিব খানের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান এস কে ফিল্মস ঈদ উপলক্ষে প্রায় দেড় শ প্রেক্ষাগৃহে নিজস্ব প্রজেক্টর ও সার্ভার বসানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আর এ কারণেই এবার জাজ মামলা করতে পারে বলে জানিয়েছে।

এই উদ্যোগে স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্রদর্শক সমিতি। তবে জাজ মাল্টিমিডিয়া কর্তৃপক্ষ বলছে, তাদের চুক্তিপত্র ভেঙে নতুন কোনো প্রতিষ্ঠানের প্রজেক্টর ও সার্ভার ব্যবহার করলে আইনের আশ্রয় নেবে তারা। তারা দাবি করছে, সিনেমা হল–মালিকদের কাছে তাদের বকেয়া পাওনা আছে। সেটা না আদায় করার সুযোগ নিতেই হলের মালিকেরা নতুন প্রতিষ্ঠানের আশ্রয় নিচ্ছেন।

জানা গেছে, শাকিব খানের প্রেক্ষাগৃহে উন্নত প্রজেক্টর ও সার্ভারের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার (৬ আগস্ট) রাতে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) সংবাদ সম্মেলন করে প্রেক্ষাগৃহগুলোতে শাকিব খানের প্রতিষ্ঠানের প্রজেক্টর ও সার্ভার বসানোর বিষয়ে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরা হয়। প্রদর্শক সমিতির কার্যনির্বাহী সদস্যরা সভা করেন। সেখানে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের হল–মালিকদের নতুন প্রদর্শন ব্যবস্থার সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান।

এমন পরিস্থিতিতে জাজ মাল্টিমিডিয়া কর্তৃপক্ষ দাবি করছে, কয়েক বছর আগে ৩১২টি প্রেক্ষাগৃহের সঙ্গে চুক্তি করে সার্ভার ও প্রজেক্টর বসিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করছে তারা। প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী আলিমুল্লাহ খোকন বলেন, এখনো আমাদের সঙ্গে হল-মালিকদের চুক্তি আছে। তাদের কাছে কমবেশি আমাদের বকেয়া পাওনা রয়েছে। এ অবস্থায় তারা অন্য প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত হবে সেটা যুক্তিসঙ্গত নয়। টাকা না দেওয়ার জন্য তারা নতুন সরবরকারীর দ্বারস্থ হয়েছে। তিনি দাবি করে বলেন, প্রদর্শক সমিতির সাধারণ সম্পাদক কাজী শোয়েব রশীদের কাছে আমাদের বকেয়া সবচেয়ে বেশি।

মামলার হুমকির বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করে শাকিব খানের বন্ধু মোহাম্মদ ইকবাল বলেন, চুক্তি করেছে কি না কিংবা নোটিশ দেওয়া হয়েছে কি না, এটা হল–মালিকদের বিষয়। আমাদের এখানে কিছু বলার নাই। আর স্বাধীন দেশে ব্যবসা করার অধিকার সবার আছে। একটি প্রতিষ্ঠানের কাছে সারা দেশের হল–মালিকেরা জিম্মি থাকতে পারে না।


পূর্বপশ্চিমবিডি/এমএইচ

শাকিব খান,জাজ মাল্টিমিডিয়া
apps
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত