• মঙ্গলবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০২১, ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৮
  • ||

৪৩তম বিসিএস পরীক্ষার্থীদের জন্য পিএসসির নির্দেশনা

প্রকাশ:  ২৫ অক্টোবর ২০২১, ২১:৪৯
নিজস্ব প্রতিবেদক

সরকারি কর্মকমিশনের (পিএসসি) আওতায় ৪৩তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আগামী ২৯ অক্টোবর। দেশের আটটি বিভাগের ৩৬৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এ পরীক্ষা আয়োজন করা হবে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পিএসসির পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ক্যাডার) নূর আহমদ।

এ উপলক্ষে পরীক্ষার্থীদের জন্য কিছু নির্দেশনাও জারি করেছে পিএসসি।

পরীক্ষাসংক্রান্ত নির্দেশনা

১. প্রার্থীদের আট ডিজিটের রেজিস্ট্রেশন নম্বর উত্তরপত্রের প্রযোজ্য ঘরে কালো কালির বল পয়েন্ট কলম দিয়ে লিখে বৃত্ত ভরাট করতে হবে।

২. প্রতিটি উত্তরপত্রে সেট নম্বরের নির্ধারিত স্থানে সেট নম্বর এবং সেট নম্বরের জন্য নিচে বৃত্ত থাকবে। প্রার্থীদের উত্তরপত্রে সেট নম্বর লেখা এবং সেট নম্বরের বৃত্ত ভরাট করার প্রয়োজন হবে না। সকাল ১০টায় প্রশ্ন পাওয়ার পর প্রার্থী তার প্রশ্নপত্রের সেট নম্বর এবং উত্তরপত্রের সেট নম্বর একই কি না সেটি চেক করে নিশ্চিত হবেন। উত্তরপত্রের সেট নম্বর একই না হলে সঙ্গে সঙ্গে পরিদর্শককে জানাতে হবে।

৩. প্রশ্নপত্র দেয়ার পর (সকাল ১০টা) কোনো প্রার্থীকে পরীক্ষার হলে ঢুকতে দেয়া হবে না। প্রশ্ন নেয়ার পর পরীক্ষা শেষ না হওয়া পর্যন্ত (দুপুর ১২টা পর্যন্ত) কোনো প্রার্থী পরীক্ষা কক্ষ ত্যাগ করতেও পারবেন না।

৪. কোনো প্রার্থীর ছবি, স্বাক্ষর, প্রবেশপত্র এবং উত্তরপত্রের নাম ও রেজিস্ট্রেশন নম্বরের গড়মিলসহ কোনো ধরনের অনিয়ম ধরা পড়লে ওই প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিলসহ তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।

৫. পরীক্ষাকেন্দ্রে বইপুস্তক, সব ধরনের ঘড়ি, মোবাইল ফোন, ক্যালকুলেটর, সব ধরনের ইলেকট্রনিক ডিভাইস, ব্যাংক কার্ড বা ক্রেডিট কার্ড ধরনের কোনো ডিভাইস, গহনা ও ব্যাগ আনা সম্পূর্ণ নিষেধ।

৬. পরীক্ষা হলের গেটে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পুলিশের উপস্থিতিতে প্রবেশপত্র এবং মেটাল ডিটেক্টরের সাহায্যে মোবাইল ফোন, ঘড়ি, ইলেকট্রনিক ডিভাইসসহ নিষিদ্ধ সামগ্রী তল্লাশির মধ্য দিয়ে প্রার্থীদের পরীক্ষার হলে প্রবেশ করতে হবে।

৭. পরীক্ষার সময় প্রার্থীরা কানের ওপর কোনো আবরণ রাখতে পারবেন না। কান খোলা রাখতে হবে। কানে কোনো ধরনের হিয়ারিং এইড ব্যবহারের প্রয়োজন হলে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শপত্রসহ কমিশনের অনুমোদন নিতে হবে।

৮. প্রার্থীদের কেন্দ্র পরিবর্তনের কোনো আবেদন বিবেচনা করা হবে না।

৯. প্রার্থীর আবেদনপত্রে গুরুতর ত্রুটি ধরা পড়লে পরীক্ষার আগে বা পরে যেকোনো পর্যায়ে উক্ত প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল হবে।

১০. ৪৩তম বিসিএস পরীক্ষা-২০২০-এর প্রিলিমিনারি টেস্টের ওএমআর উত্তরপত্রের দুটি অংশ থাকবে। প্রথম অংশে প্রার্থীর নাম, রেজিস্ট্রেশন নম্বর, সেট নম্বর এবং স্বাক্ষরের স্থান থাকবে। দ্বিতীয় অংশে ২০০টি উত্তর দেয়ার জন্য ১-২০০ পর্যন্ত ক্রম অনুযায়ী বৃত্ত থাকবে।

গত বছরের ৩০ নভেম্বর ৪৩তম সাধারণ বিসিএসের জন্য বিজ্ঞপ্তি দেয় পিএসসি। ৩০ ডিসেম্বর থেকে শুরু হয় আবেদন প্রক্রিয়া। শুরুতে আবেদনের শেষ সময় এ বছরের ৩১ জানুয়ারি করা হলেও পরে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সুপারিশে সময় বাড়িয়ে ৩১ মার্চ পর্যন্ত করা হয়। ৪৩তম বিসিএসের মাধ্যমে সরকার বিভিন্ন ক্যাডারে ১ হাজার ৮১৪ জনকে নিয়োগ দেবে। এর মধ্যে প্রশাসন ক্যাডারে নিয়োগ দেয়া হবে ৩০০ জনকে।

পুলিশের এএসপি পদে নিয়োগ দেয়া হবে ১০০ জনকে। এ ছাড়া পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে নিয়োগ দেয়া হবে ২৫ জনকে। শিক্ষায় সবচেয়ে বেশি ৮৪৩ ক্যাডার নিয়োগ দেয়া হবে।

এ ছাড়া অডিটে ৩৫ জন, ট্যাক্সে ১৯, কাস্টমসে ১৪, সমবায়ে ২০, ডেন্টাল সার্জন পদে ৭৫ ও অন্যান্য ক্যাডারে নিয়োগ দেয়া হবে ৩৮৩ জনকে।

পূর্বপশ্চিমবিডি/এসএস

বিসিএস
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
close