• রোববার, ২৪ জানুয়ারি ২০২১, ১০ মাঘ ১৪২৭
  • ||

শোক দিবসে তিতুমীর কলেজে ভার্চ্যুয়াল শোকসভা

প্রকাশ:  ১৫ আগস্ট ২০২০, ১৭:৩৮ | আপডেট : ১৫ আগস্ট ২০২০, ১৮:১৩
তিতুমীর কলেজ প্রতিনিধি
তিতুমীর কলেজে ভার্চ্যুয়াল শোকসভা

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৫তম শাহাদাৎ বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবসে রাজধানীর সরকারি তিতুমীর কলেজে ভার্চ্যুয়াল শোকসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১৫ আগস্ট) দুপুরে এ অনলাইন সভার আয়োজন করা হয়। সভার শুরুতে ১৫ আগস্টের ভয়াল কাল রাতে নিহতদের স্মরণে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।

প্রতিবার শোক দিবসের আয়োজন ঘটা করে পালন করলেও এবার করোনা মহামারির কারণে ভার্চ্যুয়াল আয়োজন করতে বাধ্য হয় কলেজ কর্তৃপক্ষ। তবে সকালে কলেজে জাতীয় পতাকা অর্ধণমিত করাসহ কালো ব্যাচ পরিধানের সংক্ষিপ্ত কর্মসূচি করা হয়।

সভার আয়োজক কমিটির সদস্য ও কলেজের পরিসংখ্যান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক গালিব হোসেনের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন তিতুমীর কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর আশরাফ হোসেন, উপাধ্যক্ষ ড. মোসা. আবেদা সুলতানা, সরকারি তিতুমীর কলেজ শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক মালেকা আক্তার বানু, তিতুমীর কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি মো. রিপন মিয়া, তিতুমীর কলেজ সাংবাদিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সাব্বির আহমেদসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকবৃন্দ।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শোক দিবস উদযাপন কমিটির আহবায়ক প্রফেসর মোশতাক আহমেদ ভূইয়া।

অনলাইন শোকসভায় যুক্ত হয়ে তিতুমীর কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. আশরাফ হোসেন বলেন, ১৫ আগস্টের ঘৃণ্য অপরাধকে ধিক্কার জানানোর মধ্যেই আমাদের সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না। এমন অধ্যায়ের পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে সবার সোচ্চার জোরালো করতে হবে। কেননা, সুযোগ পেলেই স্বাধীনতা বিরোধী দুষ্কৃতকারীরা মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারে। অধ্যক্ষ বলেন, বর্বরোচিত এই হত্যাযজ্ঞের বিচার নিয়ে অনেক কালক্ষেপণ হয়েছে। ইচ্ছাকৃতভাবে বিচারকার্য প্রলম্বিত করে শহীদের আত্মাকে কষ্ট দেওয়া হয়েছে। আশা করি হত্যাকারীরা দ্রুতই ধৃত হবে। আর আমাদের একাত্তর পরবর্তী প্রজন্মকে জেগে ওঠতে হবে। জাতির যেকোনো দুর্যোগের পাশে দাঁড়িয়ে রাষ্টবিরোধী তৎপরতাকে রুখে দিতে হবে। তবেই লাল সবুজের সোনার বাংলার আসল স্বাদ পাওয়া যাবে।

সে সময় কলেজের উপাধ্যক্ষ ড. মোসা. আবেদা সুলতানা বলেন, শিক্ষাঙ্গন থেকে শুরু করে দেশের প্রত্যেকটি অঙ্গনে বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত গল্পটা সমাপ্ত করতে হবে৷ এজন্য যুগপৎভাবে কাজ করতে হবে। বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে জিইয়ে রেখে কঠিন পরিস্থিতিকে পাড়ি হবে৷ কলেজের শিক্ষক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মালেকা আক্তার চৌধুরী শিক্ষার্থীদের ইতিহাস চর্চার ওপর জোর দেন। এছাড়া বিদেশে লুকিয়ে থাকা হত্যাকারীদের যেকোনো মূল্যে দেশে এনে বিচারের রায় কার্যকরের দাবিও জানান তিনি।

জাতির পিতার হত্যার পেছনের কুশীলবদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করে তিতুমীর কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি রিপন মিয়া বলেন, মাস্টারমাইন্ডের মেক্সিমাম শাস্তি দিতে হবে। তারা এখনো নাক ফুলিয়ে কথা বলতে চায়। বাংলাদেশ ছাত্রলীগে দেশদ্রোহী বিশ্বাসঘাতকের কারোর জায়গা নেই।

আলোচনা সভায় অংশ নিয়ে তিতুমীর কলেজ সাংবাদিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সাব্বির আহমেদ রাষ্ট্রীয় ও ইতিহাস জানার আয়োজনে বেশি করে সাধারণ শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করার আহবান জানান। ক্ষুধা ও বৈষম্যহীন দেশ গড়তে শোককে শক্তিতে পরিনত করে লড়াইয়ের কথা বলেন তিনি।

পূর্বপশ্চিমবিডি/এমএস

তিতুমীর কলেজ,শোক দিবস
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
cdbl
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
close