• রোববার, ১৬ আগস্ট ২০২০, ১ ভাদ্র ১৪২৭
  • ||

ইবির চতুর্থ গেটে নেই গতিরোধক, দুর্ঘটনা শঙ্কায় শিশু শিক্ষার্থীরা

প্রকাশ:  ১৩ জানুয়ারি ২০২০, ১৪:১০
ইবি প্রতিনিধি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে তিনটি প্রধান গেটের পাশাপাশি ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে চতুর্থ গেট নির্মাণ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। গেট নির্মাণের ছয় মাস পেরিয়ে গেলেও মহাসড়কে নেই গতিরোধক। ফলে শিশু শিক্ষার্থীদের দুর্ঘটনা শঙ্কা নিয়ে কুষ্টিয়া খুলনা-মহাসড়ক পার হতে হচ্ছে।

জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজের জন্য ক্যাম্পাসের সীমানা প্রাচীর ভেঙে চতুর্থ গেট করা হয়। গেট হওয়ার ৬ মাস হলেও কুষ্টিয়া-খুলনা মহসড়কে গতিরোধক স্থাপন করা হয়নি। ফলে স্কুলের প্রায় চার’শ শিক্ষার্থী দুর্ঘটনার শঙ্কা নিয়ে দিন পার করছে। এছাড়াও স্কুল শিক্ষকের মানসিক টেনশনে থাকতে হয় বলে জানিয়েছেন তারা। এছাড়াও শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরাও শিশুদের স্কুলে পাঠিয়ে স্কুল থেকে বাড়ি না ফেরা পর্যন্ত নানা শঙ্কায় থাকছেন। এ নিয়ে ক্ষোভও প্রকাশ করেছেন একাধিক অভিভাবক।

এ বিষয়ে একাধিক অভিভাবক পূর্বপশ্চিমকে বলেন, বাচ্চাকে স্কুলে পাঠিয়ে সারাক্ষণ টেনশনে থাকতে হয়। স্কুলের পাশেই ব্যস্ততম মহাসড়ক। সড়কে নেই কোন স্পীড ব্রেকার। যে কোন সময় আমাদের সন্তানরা ভয়াবহ দুর্ঘটনা স্বীকার হতে পারে।

বিষয়টি নিয়ে স্কুলের একাধিক শিক্ষার্থী পূর্বপশ্চিমের এই প্রতিবেদককে বলেছেন, মহাসড়কে সবসময় দ্রুত গতিতে বাস-ট্রাকসহ অন্যান্য যানবাহন চলে। স্কুল ছুটি হলেও রাস্তা পার হতে আমাদের দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। অনেকে দৌড় দিয়ে রাস্তা পার হয়। ফলে আমরা দুর্ঘটনা আতঙ্কে রাস্তা পার হই।

এ বিষয়ে স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ গোলাম মামুন পূর্বপশ্চিমকে বলেন, গেট হওয়ার এক সপ্তাহ পরেই কুষ্টিয়া সড়ক ও জনপদের নির্বাহী প্রকৌশলীর কাছে আমরা গতিরোধক স্থাপনের জন্য আবেদন করেছিলাম। কিন্তু আজও তা বাস্তবায়ন করা হয়নি। যার ফলে আমাকে মানসিক টেনশনে থাকতে হয়।

চতুর্থ গেট সংলগ্ন মহাসড়কে কোন স্পীড ব্রেকার নেই বিষয়টি জানেই না স্কুল পরিচালক ড. মেহের আলী। এ বিষয়ে তিনি বলেন, আমি স্পীড ব্রেকার না থাকার বিষয়টি জানিই না। স্কুলের শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে গেটটি করা হয়েছিল। স্পীড ব্রেকার স্থাপনের বিষয়ে আমি খোঁজ নিব।

এ বিষয়ে কুষ্টিয়া সড়ক ও জনপদের (সওজ) নির্বাহী প্রকৌশলী মো. তামিনুল হক পূর্বপশ্চিমকে বলেন, কাজটির টেন্ডার ইতোমধ্যে হয়ে গেছে। খুব শিঘ্রই কাজটি শেষ হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।


পূর্বপশ্চিমবিডি/ইমি

ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
close