• বৃহস্পতিবার, ১২ ডিসেম্বর ২০১৯, ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৬
  • ||

মেয়াদোত্তীর্ণ ও নকল ওষুধে জরিমানা ১ কোটি ৭৪ লাখ টাকা

প্রকাশ:  ১৯ নভেম্বর ২০১৯, ১৪:১৮ | আপডেট : ১৯ নভেম্বর ২০১৯, ১৫:১৪
নিজস্ব প্রতিবেদক

বাজারে মেয়াদোত্তীর্ণ ও নকল ওষুধ রাখার দায়ে ১ কোটি ৭৪ লাখ ৯৩ হাজার ৯০০ টাকা জরিমানা আদায় করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সঙ্গে ৩৪ কোটি ৭ লাখ ৬৯ হাজার ১৪৩ কোটি টাকার মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ধ্বংস করা হয়েছে।

গত ১ আগস্ট থেকে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত ‘মেয়াদোত্তীর্ণ, নকল ও ভেজাল ওষুধের বিরুদ্ধে এ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেছে ওষুধ প্রশাসন অধিদফতর।

মঙ্গলবার (১৯ নভেম্বর) বিচারপতি এফআরএম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কেএম কামরুল কাদেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চে একটি প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ওষুধ প্রশাসন অধিদফতর। আদালত পরবর্তী আদেশের জন্য ১২ ডিসেম্বর দিন ধার্য করেছেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ১ আগস্ট থেকে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত ১৩ হাজার ৫৯৩টি ফার্মেসিতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে ৫৭২টি মামলা করা হয়েছে। এতে ১ কোটি ৭৪ লাখ ৯৩ হাজার ৯০০টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। একই সঙ্গে মেয়াদোত্তীর্ণ, নকল ও ভেজাল ওষুধ রাখার দায়ে দু’টি ফার্মেসি সিলগালা করা হয়েছে। এছাড়াও একই সময়ে ৩৪ কোটি ৭ লাখ ৬৯ হাজার ১৪৩ কোটি টাকার মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ধংস করা হয়েছে।

আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী এবিএম আলতাফ হোসেন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এবিএম আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার। জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী কামরুজ্জামান কচি। বাংলাদেশ ওষুধ শিল্প সমিতির পক্ষে ছিলেন আইনজীবী শাহ মঞ্জুরুল হক।

ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার বলেন, এরই মধ্যে যাদের জেল-জরিমানা করা হয়েছে, তারা আবার পুনরায় যদি একই ধরনের অপরাধে অভিযুক্ত হন, তখন তাদের বিরুদ্ধে স্পেশাল পাওয়ারস অ্যাক্টে মামলা দায়েরের জন্য আদালত মৌখিকভাবে আমাদের নির্দেশনা দিয়েছেন। যার সাজা যাবজ্জীবন এমনকি মৃত্যুদণ্ডও হতে পারে। ফলে যারা এ কাজের সঙ্গে জড়িত থাকবেন, তাদের আমরা হুঁশিয়ার করে দিতে চাই, যেন এ ধরনের মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ সংরক্ষণ করবেন না, বিক্রি করবেন না এবং ভেজাল ওষুধ বিক্রির চেষ্টা করবেন না। প্রয়োজনে সরকার আদালতের নির্দেশ মোতাবেক আইনগত দায়িত্ব পালন করবে।

তিনি বলেন, আদালত ওষুধ প্রশাসনসহ সবাইকে একযোগে কাজ করতে বলেছেন। যেন বাংলাদেশের বাজারে মেয়াদোত্তীর্ণ ও ভেজাল ওষুধ বিক্রির সুযোগ না থাকে। ওষুধ শিল্প সমিতিকে বলেছেন, ইংরেজির পাশাপাশি যেন বাংলায় মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ ও মূল্য লেখা থাকে, সেটা বিবেচনা করতে।

এর আগে একটি রিট আবেদনের শুনানিতে এক আদেশে সারাদেশে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ সংরক্ষণ ও বিক্রি বন্ধ এবং মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ প্রত্যাহার বা ধ্বংস করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেন হাইকোর্ট।

ওই আদেশের ধারাবাহিকতায় ওষুধ প্রশাসন অধিদফতর আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করে।

পূর্বপশ্চিমবিডি/জিএম

বাজার,মেয়াদোত্তীর্ণ ও নকল ওষুধ,ভ্রাম্যমাণ আদালত,ওষুধ প্রশাসন,অধিদফতর
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত