Most important heading here

Less important heading here

Some additional information here

Emphasized text
  • বৃহস্পতিবার, ১৭ অক্টোবর ২০১৯, ১ কার্তিক ১৪২৬
  • ||

জি কে শামীমের সাত দেহরক্ষী ফের রিমান্ডে

প্রকাশ:  ০৬ অক্টোবর ২০১৯, ১৫:২২
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রিন্ট icon
জি কে শামীমের সাত দেহরক্ষী। ফাইল ছবি

টেন্ডার, চাঁদাবাজি, অস্ত্রবাজি এবং অর্থ পাচারের অভিযোগে গ্রেফতার গোলাম কিবরিয়া শামীম ওরফে জি কে শামীমের সাত দেহরক্ষীর অস্ত্র আইনের মামলায় ফের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

রোববার (৬ অক্টোবর) ঢাকা মহানগর হাকিম মইনুল ইসলাম শুনানি শেষে রিমান্ডের আদেশ দেন।

সাত দেহরক্ষী হলেন- মো. দেলোয়ার হোসেন, মো. মুরাদ হোসেন, মো.জাহিদুল ইসলাম, মো.শহিদুল ইসলাম, মো.কামাল হোসেন, মো. সামসাদ হোসেন ও মো. আমিনুল ইসলাম।

এর আগে গত ১ অক্টোবর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা র‌্যাব-১ এর এসআই শেখর চন্দ্র মল্লিক আসামিদের সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। আসামিরা মানি লন্ডারিং আইনের মামলায় রিমান্ডে থাকায় ওই দিন শুনানি হয়নি।

রোববার মানি লন্ডারিং আইনের মামলার চার দিন শেষে আসামিদের আদালতে হাজির করা হয়। পরে অস্ত্র আইনের মামলায় রিমান্ড শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।

রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, আসামিদের ১০টি কার্তুজসহ গ্রেপ্তার করা হয়। আসামিরা তাদের নিজ নামীয় লাইসেন্সকৃত অস্ত্র প্রকাশ্য বহন, প্রদর্শন ও ব্যবহার করে লোকজনের মধ্যে ভয়-ভীতি সৃষ্টির মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি করে স্বনামে-বেনামে বিপুল পরিমাণ অবৈধ অর্থ বৈভবের মালিক হয়। আসামিরা ব্যক্তিগত নিরাপত্তার অজুহাতে লাইসেন্সপ্রাপ্ত হলেও মূলত তারা প্রদত্ত অস্ত্রের শর্ত ভঙ্গ করে প্রকাশ্যে এসব অস্ত্র বহন এবং প্রদর্শন করে জনমনে ভীতি সৃষ্টি করেন।

সরকারের অনুমোদন ছাড়া অস্ত্রগুলো কোথায় কোথায় ব্যবহার করে অবৈধ সুবিধা, অর্থ, টেন্ডারবাজি করেছেন তার তথ্য জানা, সরকারি অনুমতি ব্যতীত কী কী উদ্দেশ্যে এতগুলো অস্ত্র নিয়ে জনসম্মুখে প্রদর্শন করে ঘুরে বেড়াতো, জব্দকৃত অস্ত্রগুলি ব্যতীত তাদের কাছে আর কোন অস্ত্র আছে কী না, সরকারি লাইসেন্সের শর্ত ভঙ্গ করে এ মামলার প্রধান আসামি জি কে শামীমের আরো কে কে তার দেহরক্ষী হিসেবে কাজ করে এবং তাদের কী কী অস্ত্র আছে এসব কারণসমূহের রহস্য উদঘাটনের জন্য আসামিদের রিমান্ড মঞ্জুরের প্রার্থনা করেন তদন্ত কর্মকর্তা।

আসামিপক্ষে শওকত ওসমানসহ কয়েকজন আইনজীবী রিমান্ড বাতিল পূর্বক জামিনের প্রার্থনা করেন। রাষ্ট্রপক্ষ থেকে জামিনের বিরোধীতা করা হয়। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে প্রত্যেকের তিন দিন করে রিমান্ডের আদেশ দেন।

এদিকে ওই দিন এ মামলায় জি কে শামীমেরও সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়। কিন্তু জি কে শামীম অন্য মামলায় রিমান্ডে থাকায় এদিন শুনানি হয়নি।

প্রসঙ্গত, গত ২০ সেপ্টেম্বর গুলশানের নিকেতনে নিজ কার্যালয় থেকে জি কে শামীমকে সাত দেহরক্ষীসহ আটক করে র‌্যাব। গত ২১ সেপ্টেম্বর অস্ত্র আইনের মামলায় সাত আসামির চার দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। ওই দিন জি কে শামীমের অস্ত্র ও মাদকের দুটি মামলায় ৫ দিন করে ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

গত ২৬ সেপ্টেম্বর অস্ত্র আইনের মামলায় এ সাত দেহরক্ষীকে চার দিনের রিমান্ড শেষে আসামিদের কারাগারে পাঠানো হয়। পরে মানি লন্ডারিং আইনের মামলায় গত ১ অক্টোবর সাত দেহরক্ষীর চারদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। এ মামলায় চার দিনের রিমান্ড শেষে আসামিদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

গত ২ অক্টোবর জি কে শামীমের ১০ দিনের রিমান্ড শেষে মানি লন্ডারিং আইনের মামলায় ৫ দিন এবং অস্ত্র আইনের মামলায় ৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।


পূর্বপশ্চিমবিডি/এসএম

জি কে শামীম,রিমান্ড,আদালত,ক্যাসিনো
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত