Most important heading here

Less important heading here

Some additional information here

Emphasized text
  • রোববার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৭ আশ্বিন ১৪২৬
  • ||

ডা. আকাশের আত্মহত্যা: স্ত্রী মিতুসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট

প্রকাশ:  ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ২১:৫৩
চট্টগ্রাম সংবাদদাতা
প্রিন্ট icon
ডা. আকাশ ও স্ত্রী মিতু। ফাইল ছবি

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক মোস্তফা মোরশেদ আকাশকে আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলায় তার স্ত্রী মিতুসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দিয়েছে পুলিশ।

অভিযোগপত্রভুক্ত আসামিরা হলেন- চিকিৎসক আকাশের স্ত্রী তানজিলা হক চৌধুরী মিতু, তার মা শামীমা শেলী, বাবা আনিসুল হক চৌধুরী, ছোট বোন সানজিলা হক চৌধুরী আলিশা এবং মিতুর কথিত বন্ধু ডা. মাহবুবুল আলম।

বুধবার (১১ সেপ্টেম্বর) মামলার তদন্ত কর্মকর্তা চান্দগাঁও থানার এসআই আবদুল কাদের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এর আগে চট্টগ্রাম মহানগর হাকিম আদালতের প্রসিকিউশন শাখায় অভিযোগপত্রটি জমা দেয়া হয়।

চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (প্রসিকিউশন) মো. কামরুজ্জামান বলেন, সোমবার অভিযোগপত্রটি প্রসিকিউশন শাখায় জমা পড়ে। আজ (মঙ্গলবার) অভিযোগপত্রটি সংশ্লিষ্ট আদালতে পাঠানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ১ ফেব্রুয়ারি ডা. আকাশের মা জোবেদা খানম বাদী হয়ে দণ্ডবিধির ৩০৬ ধারায় আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগ এনে মামলাটি করেছিলেন। ৩২ বছর বয়সী আকাশ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কর্মরত ছিলেন। ‘থ্রি ডক্টরস’ নামে মেডিকেল ভর্তির একটি কোচিং সেন্টার চালাতেন তিনি।

তার স্ত্রী মিতু কুমিল্লা মেডিকেল কলেজে এমবিবিএস শেষ করে চট্টগ্রাম মেডিকেলে ইন্টার্ন করেন। সেখানেই আকাশের সঙ্গে তার পরিচয়, ২০১৬ সালে বিয়ে। বিয়ের পরপরই উচ্চ শিক্ষার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে চলে যান মিতু। সেখান থেকে ১৩ জানুয়ারি দেশে ফেরেন তিনি। এরপর ৩১ জানুয়ারি ভোরে নগরীর চান্দগাঁও আবাসিক এলাকার বাসায় ইনজেকশনের মাধ্যমে নিজের শরীরে বিষ প্রয়োগ করে আত্মহত্যা করেন আকাশ। আত্মহত্যার আগে ফেসবুক স্ট্যাটাসে তিনি স্ত্রীর বিরুদ্ধে ‘বিয়ে বহির্ভূত সম্পর্ক’ ও ‘প্রতারণার’ অভিযোগ করে যান। এর ‘প্রমাণ’ হিসেবে মিতুর সঙ্গে তার ‘বন্ধুদের’ বেশ কিছু ছবিও তিনি ফেসবুকে তুলে দিয়ে যান।

এরপর ৩১ জানুয়ারি রাতে নন্দনকানন এলাকায় এক আত্মীয়ের বাসা থেকে মিতুকে আটক করে পুলিশ। আকাশের মায়ের করা মামলায় মাহবুবুল আলম নামে যে চিকিৎসককে আসামি করা হয়, তিনি কুমিল্লা মেডিকেলে মিতুর ব্যাচমেট ছিলেন বলে তখন জানিয়েছিল পুলিশ। আগস্টের শেষ সপ্তাহে উচ্চ আদালত থেকে এ মামলায় জামিন নেন মিতু। অন্য আসামিরা সবাই পলাতক।


পূর্বপশ্চিমবিডি/কেএম

চার্জশিট,ডা. আকাশের আত্মহত্যা
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত