• শনিবার, ১৬ নভেম্বর ২০১৯, ২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬
  • ||

খালেদার আদালত স্থানান্তরের প্রজ্ঞাপন চ্যালেঞ্জের রিটের শুনানি ১০ জুন

প্রকাশ:  ২৮ মে ২০১৯, ১৪:১২
নিজস্ব প্রতিবেদক
খালেদা জিয়া। ফাইল ছবি

দুর্নীতির মামলায় দণ্ডিত হয়ে কারাগারে থাকা বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়ার চলমান মামলাগুলোর বিচারকাজ পুরাতন কারাগার থেকে কেরানীগঞ্জের নতুন কেন্দ্রীয় কারাগারের ভেতর আদালত স্থানান্তরে জারি করা প্রজ্ঞাপন চ্যালেঞ্জ করা রিটের শুনানির জন্য আগামী ১০ জুন দিন ধার্য করেছেন হাইকোর্ট।

মঙ্গলবার (২৮ মে) হাইকোর্টের বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে রিটের ওপর প্রথম দিনের শুনানি হয়। পরে আদালত শুনানি ১০ জুন পর্যন্ত মুলতবি করেন।

আদালতে খালেদার পক্ষে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন ও ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম ও দুদকের পক্ষে ছিলেন খুরশিদ আলম খান।

এর আগে রোববার (২৬ মে) বিএনপি চেয়ারপাসন খালেদা জিয়ার আইনজীবী ব্যারিস্টার কায়সার কামাল রিটটি দায়ের করেন। গত ১২ মে’র প্রজ্ঞাপন প্রত্যাহার ও চ্যালেঞ্জ করে চেয়েহাইকোর্টে রিট দায়ের করেন তিনি।

গত ২১ মে খালেদা জিয়ার অন্যতম আইনজীবী কায়সার কামাল সংশ্লিষ্ট প্রজ্ঞাপন প্রত্যাহার চেয়ে আইন মন্ত্রণালয়ের সচিবকে একটি আইনি নোটিশ প্রেরণ করেন। কিন্তু তার জবাব না পাওয়ায় এ রিটটি দায়ের করা হয় বলে তিনি জানান।

ওই আইনি নোটিশে দাবি করা হয়, গত ১২ মে আইন মন্ত্রণালয় একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে। ওই প্রজ্ঞাপন অনুসারে খালেদা জিয়ার মামলার শুনানির জন্য পুরাতন ঢাকার সাবেক কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে আদালত (বিশেষ জজ আদালত-৯) স্থানান্তর করে কেরানীগঞ্জে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেই প্রজ্ঞাপন বেআইনি। কারণ, সংবিধানের ৩৫ অনুচ্ছেদে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, যেকোনো বিচার হতে হবে উন্মুক্তভাবে। কারাগারের একটি কক্ষে বিচার হতে পারে না। ফলে এই প্রজ্ঞাপন সংবিধানবিরোধী।

কোথায় কোথায় কারাগার স্থানান্তরিত হতে পারে তা ফৌজদারি কার্যবিধি আইনে দেওয়া আছে। ফৌজদারি কার্যবিধি আইনে কোথাও উল্লেখ নেই যে, কারাগারের মধ্যে আদালত স্থাপন হতে পারে। সুতরাং সংবিধান ও ফৌজদারি আইনের বিরুদ্ধে সরকার অবস্থান নিয়েছে।


পিপিবিডি/এসএম

খালেদা জিয়া,হাইকোর্ট,আদালত,বিএনপি
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত