Most important heading here

Less important heading here

Some additional information here

Emphasized text
  • রোববার, ২৬ মে ২০১৯, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬
  • ||

ডাকসু নির্বাচনে অনিয়মের প্রতিবাদে সারাদেশে বিক্ষোভ

প্রকাশ:  ১২ মার্চ ২০১৯, ১৩:৫৯ | আপডেট : ১২ মার্চ ২০১৯, ১৪:১৩
সাখাওয়াত মিসু
প্রিন্ট icon

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনে ব্যাপক অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগে ভোট বর্জনের ঘোষণা দেয় ছাত্রলীগের বাইরের সব জোট ও প্রার্থীরা৷ ভোটের দিন দুপুর থেকেই ভিসি চত্বর, ভিসি কার্যালয় ও ক্যাম্পাসজুড়ে বিক্ষোভ শুরু করে তারা। একই দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছে ছাত্র ইউনিয়ন, প্রগতিশীল ছাত্রজোটসহ বিভিন্ন সংগঠন।

সোমবার (১১ মার্চ) বিকেল থেকেই ডাকসুর ভোট অনিয়মের বিরুদ্ধে সারাদেশে বিক্ষোভ পালন শুরু হয়।

সিলেটে ডাকসু নির্বাচনের নজিরবিহীন ভোট কারচুপি এবং ছাত্র নেতাদের উপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করে প্রগতিশীল ছাত্রজোট।

খুলনায় ভোট ডাকাতি ও নেতৃবৃন্দের উপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করে জেলা ছাত্র ইউনিয়ন।

চট্টগ্রামে জেলা ছাত্র ইউনিয়ন ও প্রগতিশীল ছাত্রজোট বিক্ষোভ মিছিল সমাবেশ করে।

রাজবাড়ীতে জেলা ছাত্র ইউনিয়ন বিক্ষোভ সমাবেশ করে প্রতিবাদ জানায়।

ময়মনসিংহে বিক্ষোভ মিছিল করে প্রগতিশীল ছাত্রজোট।

মৌলভীবাজারে প্রগতিশীল ছাত্রজোটের বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে নির্বাচন বাতিল ও হামলার প্রতিবাদে সমাবেশ করা হয়।

এদিকে মঙ্গলবারও (১২ মার্চ) ডাকসু নির্বাচন বাতিল নেতৃবৃন্দের উপর হামলা ও মামলার প্রতিবাদে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করে প্রগতিশীল ছাত্রজোট।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিবাদী মিছিল করে প্রগতিশীল ছাত্রজোট।

গাইবান্ধায় প্রতিবাদ জানায় প্রগতিশীল ছাত্রজোট।

সুনামগঞ্জে ডাকসুর ভোট ডাকাতির নির্বাচন বাতিল ও প্রার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদ মিছিলে হামলার অভিযোগ উঠেছে ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে।

এতে গুরুতর আহত হন সাধারণ সম্পাদক আসাদ মণি ও কোষাধ্যক্ষ সানন্দ বর্মনসহ দশ-বারোজন নেতাকর্মী৷

নেত্রকোনার মশাল মিছিল ও বিক্ষোভ করে ছাত্র ইউনিয়ন।

বরিশালে প্রতিবাদী সমাবেশ করে প্রগতিশীল ছাত্রজোট।

জয়পুরহাটে ডাকসু নির্বাচনে নজিরবিহীন ভোট কারচুপি, ভিসি ও প্রোক্টরের পদত্যাগ দাবি এবং ডাকসু নির্বাচনের ভিপি পার্থী ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক লিটন নন্দী সহ অন্য নেতাদের উপর ছাত্রলীগের হামলার প্রতিবাদে জয়পুরহাটে তাৎক্ষণিক বিক্ষোভ কর্মসুচি পালন করেছে প্রগতিশীল ছাত্র জোট।

রাঙামাটিতে বিক্ষোভ মিছিল করে ছাত্র ইউনিয়ন।

এদিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ নির্বাচন (ডাকসু) বাতিলের দাবিতে ক্যাম্পাসে ভিসি চত্তর, ভিসির কার্যালয় ও টিএসসিতে আলাদা অবস্থান কর্মসূচি ও বিক্ষোভ পালন করছে ছাত্রলীগের বাইরের বিরোধী সব জোট।

মঙ্গলবার (১২ মার্চ) সকালে অপরাজেয় বাংলা’র পাদদেশে পুনর্নির্বাচন এবং পুনঃতফসিলের দাবিতে সমাবেশ করেছে ছাত্রদল।

বেলা ১১টায় বামজোট সমর্থিত বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের নেতাকর্মীরা টিএসসিতে অবস্থান নেন। এসময় ‘জালিয়াতির নির্বাচন মানি না, মানবো না’ বলে স্লোগান দিতে থাকেন তারা।

কোটা আন্দোলনের ছেলেরা আমাদের কর্মসূচিতে যোগ দিতে আসছে বলে জানান ডাকসু নির্বাচনে ভিপি প্রার্থী লিটন নন্দী।

অন্যদিকে, কোটা সংস্কার আন্দোলন ও বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের নেতা নুরুল হক নুর ডাকসু’র ভিপি নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে আন্দোলন করছেন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।

সকাল থেকে ছাত্রলীগের একাংশ উপাচার্যের (ভিসি) বাসবভনের সামনে অবস্থান নিয়েছেন। এর আগে তারা ভিসির বাড়ির সামনে টায়ার জ্বালিয়ে প্রতিবাদ করেছেন।

বিদ্যামন পরিস্থিতির কারণে বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়য়ে প্রবোশের মুখে প্রতিটি গেটে গাড়ি ও সাধারণের চলাচল সীমিত করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, সোমবার (১১ মার্চ) দুপুরে ছাত্রলীগ ছাড়া বামজোটসহ অন্যান্য ছাত্র সংগঠন নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিয়ে মঙ্গলবার ধর্মঘট এবং ক্লাস বর্জনের ডাক দেয়।

উল্লেখ্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে সহসভাপতি (ভিপি) পদে বিজয়ী হয়েছেন কোটা আন্দোলনের নেতা নুরুল হক নুর। তিনি ১১০৬২ ভোট পেয়েছেন। সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে বিজয়ী হয়েছেন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী। তিনি পেয়েছেন ১০৪৮৪ ভোট। সোমবার দিবাগত রাতে এ ফল ঘোষণা করেন ভিসি ড. মো. আখতারুজ্জামান।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনের ভোট সোমবার সকাল ৮টায় শুরু হয়ে শেষ হয় দুপুর দুইটায়।

নির্বাচনে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা অনুসারে ডাকসুর ২৫টি পদের বিপরীতে ২২৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এর মধ্যে সহসভাপতি (ভিপি) পদে ২১ জন, সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে ১৪ এবং সহসাধারণ সম্পাদক (এজিএস) পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ১৩ জন। এছাড়া স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক পদে ১১ জন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক পদে ৯ জন, কমনরুম ও ক্যাফেটেরিয়া সম্পাদক পদে ৯ জন, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক পদে ১১ জন, সাহিত্য সম্পাদক পদে ৮ জন, সংস্কৃতি সম্পাদক পদে ১২ জন, ক্রীড়া সম্পাদক পদে ১১ জন, ছাত্র পরিবহন সম্পাদক পদে ১০ জন ও সমাজসেবা সম্পাদক পদে ১৪ জন। এর বাইরে ১৩টি সদস্য পদের বিপরীতে ৮৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

পিবিডি/এআইএস

ডাকসু
apps
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত