• শনিবার, ১৮ জানুয়ারি ২০২০, ৫ মাঘ ১৪২৭
  • ||

ডাকসু নির্বাচন বাতিলের দাবিতে বিরোধী সব জোটের বিক্ষোভ

প্রকাশ:  ১২ মার্চ ২০১৯, ১৩:৪১
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ নির্বাচন (ডাকসু) বাতিলের দাবিতে ক্যাম্পাসে ভিসি চত্তর, ভিসির কার্যালয় ও টিএসসিতে আলাদা অবস্থান কর্মসূচি ও বিক্ষোভ পালন করছে ছাত্রলীগের বাইরের বিরোধী সব জোট।

মঙ্গলবার (১২ মার্চ) সকালে অপরাজেয় বাংলা’র পাদদেশে পুনর্নির্বাচন এবং পুনঃতফসিলের দাবিতে সমাবেশ করেছে ছাত্রদল।

বেলা ১১টায় বামজোট সমর্থিত বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের নেতাকর্মীরা টিএসসিতে অবস্থান নেন। এসময় ‘জালিয়াতির নির্বাচন মানি না, মানবো না’ বলে স্লোগান দিতে থাকেন তারা।

কোটা আন্দোলনের ছেলেরা আমাদের কর্মসূচিতে যোগ দিতে আসছে বলে জানান ডাকসু নির্বাচনে ভিপি প্রার্থী লিটন নন্দী।

অন্যদিকে, কোটা সংস্কার আন্দোলন ও বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের নেতা নুরুল হক নুর ডাকসু’র ভিপি নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে আন্দোলন করছেন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।

সকাল থেকে ছাত্রলীগের একাংশ উপাচার্যের (ভিসি) বাসবভনের সামনে অবস্থান নিয়েছেন। এর আগে তারা ভিসির বাড়ির সামনে টায়ার জ্বালিয়ে প্রতিবাদ করেছেন।

বিদ্যামন পরিস্থিতির কারণে বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়য়ে প্রবোশের মুখে প্রতিটি গেটে গাড়ি ও সাধারণের চলাচল সীমিত করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, সোমবার (১১ মার্চ) দুপুরে ছাত্রলীগ ছাড়া বামজোটসহ অন্যান্য ছাত্র সংগঠন নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিয়ে মঙ্গলবার ধর্মঘট এবং ক্লাস বর্জনের ডাক দেয়।

উল্লেখ্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে সহসভাপতি (ভিপি) পদে বিজয়ী হয়েছেন কোটা আন্দোলনের নেতা নুরুল হক নুর। তিনি ১১০৬২ ভোট পেয়েছেন। সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে বিজয়ী হয়েছেন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী। তিনি পেয়েছেন ১০৪৮৪ ভোট। সোমবার দিবাগত রাতে এ ফল ঘোষণা করেন ভিসি ড. মো. আখতারুজ্জামান।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনের ভোট সোমবার সকাল ৮টায় শুরু হয়ে শেষ হয় দুপুর দুইটায়।

নির্বাচনে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা অনুসারে ডাকসুর ২৫টি পদের বিপরীতে ২২৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এর মধ্যে সহসভাপতি (ভিপি) পদে ২১ জন, সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে ১৪ এবং সহসাধারণ সম্পাদক (এজিএস) পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ১৩ জন। এছাড়া স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক পদে ১১ জন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক পদে ৯ জন, কমনরুম ও ক্যাফেটেরিয়া সম্পাদক পদে ৯ জন, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক পদে ১১ জন, সাহিত্য সম্পাদক পদে ৮ জন, সংস্কৃতি সম্পাদক পদে ১২ জন, ক্রীড়া সম্পাদক পদে ১১ জন, ছাত্র পরিবহন সম্পাদক পদে ১০ জন ও সমাজসেবা সম্পাদক পদে ১৪ জন। এর বাইরে ১৩টি সদস্য পদের বিপরীতে ৮৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

পিবিডি/এসএম

ডাকসু
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত