• শুক্রবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০১৯, ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৬
  • ||

প্রধান শিক্ষকের বেতন ১১ গ্রেডে, সহকারি শিক্ষকের ১৩ গ্রেডে 

প্রকাশ:  ১২ নভেম্বর ২০১৯, ১৯:৩৩ | আপডেট : ১২ নভেম্বর ২০১৯, ১৯:৪০
নিজস্ব প্রতিবেদক

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকদের বিরাজমান বেতন বৈষম্য নিরসন করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, এখন থেকে সব প্রধান ‘শিক্ষক জাতীয় বেতন স্কেল, ২০১৫’ এর ১১তম গ্রেডে (১২৫০০-৩০২৩০ টাকা) এবং সব সহকারী শিক্ষক ১৩তম গ্রেডে (১১০০০-২৬৫৯০ টাকা) বেতন পাবেন।

বেতন বৈষম্য নিরসন করে গত ৭ নভেম্বর অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের বাস্তবায়ন অনুবিভাগের বাস্তবায়ন-১ অধিশাখা থেকে এ সংক্রান্ত চিঠি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিবের কাছে পাঠানো হয়।

অর্থ বিভাগের এই চিঠির পর প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ও প্রশিক্ষণবিহীন প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকদের বেতনের কোনো বৈষম্য থাকলো না। চিঠিতে বলা হয়েছে, প্রশাসনিক মন্ত্রণালয়ের মঞ্জুরি আদেশ জারির তারিখ থেকে শিক্ষকদের উন্নীত বেতন গ্রেড কার্যকর হবে।

২০১৫ সালের জাতীয় বেতন স্কেলে বর্তমানে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বেতন ১২৫০০-৩০২৩০ টাকা (গ্রেড-১১) এবং প্রশিক্ষণবিহীন প্রধান শিক্ষকের বেতন স্কেল ১১৩০০-২৪৬৮০ টাকা (গ্রেড-১৪) ছিল।

অর্থ বিভাগ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ও প্রশিক্ষণবিহীন উভয় ক্ষেত্রেই প্রধান শিক্ষকের বেতন স্কেল ১২৫০০-৩০২৩০ টাকা (গ্রেড-১১) নির্ধারণ করে দিয়েছে।

অপরদিকে, প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষকদের বেতন স্কেল ছিল ১০২০০-২৪৬৮০ টাকা (গ্রেড-১৪) এবং প্রশিক্ষণবিহীন সহকারী শিক্ষকের বেতন স্কেল ছিল ৯৭০০-২৩৪৯০ টাকা (গ্রেড-১৫)

প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ও প্রশিক্ষণবিহীন সহকারী শিক্ষকের উভয় ক্ষেত্রেই বেতন স্কেল ১১০০০-২৬৫৯০ টাকা (গ্রেড-১৩)-তে উন্নীত করেছে অর্থ বিভাগ।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (বিদ্যালয়) মো. বদরুল হাসান বাবুল গণমাধ্যমকে বলেন, শিক্ষকদের বেতন বৈষম্য নিরসন করতে অর্থ বিভাগে চিঠি পাঠানো হয়েছিল। সহকারী শিক্ষকদের মধ্যে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ও প্রশিক্ষণ বিহীনদের ১৩তম গ্রেড হওয়ায় বর্তমান অবস্থায় প্রায় ১২ বছর চাকরি করে এই গ্রেডে আসতো। এতে তারা ১২ বছর এগিয়ে থাকলো।

উল্লেখ্য, বেতনবৈষম্য নিরসনের দাবিতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা আন্দোলনে আছেন। প্রধান শিক্ষকদের জন্য দশম গ্রেড এবং সহকারী শিক্ষকদের জন্য ১১তম গ্রেডের দাবিতে আন্দোলন করছেন তাঁরা। আগামী ১৩ নভেম্বরের মধ্যে দাবি মানার সুনির্দিষ্ট আশ্বাস না পেলে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি) পরীক্ষা বর্জন করার হুমকিও দিয়েছিলেন শিক্ষকরা। তাদের বেধে দেওয়া সময়সীমার আগেই নতুন এ সিদ্ধান্ত এল।


পূর্বপশ্চিমবিডি/ওআর

প্রাথমিক,প্রধান শিক্ষক,প্রাইমারি,স্কুল
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত