Most important heading here

Less important heading here

Some additional information here

Emphasized text
  • রোববার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৭ আশ্বিন ১৪২৬
  • ||

ঢাবি শিক্ষার্থীরা নিয়ম মেনেই ইভনিং এমবিএতে ভর্তি হয়েছিল: শিবলি রুবাইয়াতুল

প্রকাশ:  ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১৯:৫১ | আপডেট : ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১৯:৫৯
পূর্বপশ্চিম ডেস্ক
প্রিন্ট icon

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) আট নেতাসহ ৩৪ শিক্ষার্থী নিয়ম মেনেই ‘সান্ধ্যকালীন এমবিএ’ কোর্সে ভর্তি হয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য অনুষদের ডিন ও শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. শিবলি রুবাইয়াতুল ইসলাম। ‘পরীক্ষা ছাড়াই ভর্তি হয়ে ডাকসু নেতা’-শিরোনামে গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন ও এ নিয়ে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধনের পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিকাল সাড়ে ৪টায় বাণিজ্য অনুষদের ড. হাবিবুল্লাহ সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ৮ নেতাসহ ৩৪ শিক্ষার্থীর ভর্তি নিয়ে গত কয়েক দিন আগে গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ আমার দৃষ্টি আকর্ষিত হয়েছে। এ ধরণের বিভ্রান্তিকর সংবাদ জনমনে প্রশ্নের সৃষ্টি করতে পারে বলে আমি মনে করি। এ বিষয়ে আমার বক্তব্য, ডাকসু নির্বাচনে যে সকল ছাত্র-ছাত্রী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছে তাদের কাউকেও বাহির থেকে এনে ভর্তি করিয়ে ডাকসু নির্বাচন করানো হয়নি। তারা সকলেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রাড গ্র্যাজুয়েট ছাত্র-ছাত্রী এবং গ্র্যাজুয়েশন শেষ করে মাস্টার্স করার প্রস্ততি নিচ্ছিল।

এখানে উল্লেখ্য যে, আমাদের অনুষদে বেশ কিছু ছাত্র-ছাত্রী আর্থিক অস্বচ্ছলতা, শারীরিক সমস্যা অথবা পরিবারের প্রয়োজনে দিনের বেলায় চাকুরীতে যোগদান করে, এতে পরবর্তিতে তাদের আর মাস্টার্স করার সুযোগ হয়ে উঠে না। তারা বিভিন্নভাবে পরবর্তিতে আমাদের কাছে ইভনিং প্রোগ্রামে মাস্টার্স করার ইচ্ছা ব্যক্ত করে। এদের মধ্যে আর্থিক অস্বচ্ছলতার কারণে দিনের বেলায় চাকুরি করা ছাত্রের সংখ্যাই বেশী।

তিনি আরো বলেন, আমরা চেয়ারম্যানস কমিটি ও অনুষদে আলাপ আলোচনার মাধ্যমে ডে-প্রোগ্রামের ছাত্র-ছাত্রীদেরকে তাদের অনুরোধের প্রেক্ষিতে ইভনিং-এ ট্রান্সফার করার বিষয়টি আলোচনা করি। সেই সাথে ঢাঃবিঃ অন্যান্য অনুষদের ছাত্র-ছাত্রীরা; যারা বিভিন্ন ব্যাংক, বিমা, করপোরেট হাউস ও টেলিকমের কাজ করে বা চাকুরীর সুযোগ পায়; তাদেরকে মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে যাচাই-বাছাই করে লেখাপড়া সুযোগ প্রদানের বিষয়ে দেড় বৎসর আগে অনুষদ সভায় আলাপের মাধ্যমে অনুমোদিত হয়। কিন্তু ঢাঃবিঃ বাহিরের ভর্তিচ্ছু আবেদনকারীকে যথাযথ লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে ভর্তি হওয়ার বিধানটি চালু আছে।

শিবলি রুবাইয়াতুল ইসলাম বলেন, প্রকাশিত পত্রিকার খবরটি পড়লে মনে হয় বাহিরের ছাত্র-ছাত্রীকে ডাকসু নির্বাচন করানোর জন্য বেআইনীভাবে ঢাঃবিঃ-তে ভর্তি করানো হয়েছে, যা একেবারেই সঠিক নয়। এখানে আলোচিত ছাত্র-ছাত্রীরা পূর্বে থেকেই ঢাঃবির সাধারণ পদ্ধতিতে ভর্তি হওয়া গ্র্যাজুয়েট। তাই একই বিশ্ববিদ্যালয় আর একবার ভর্তি হওয়ার কোন প্রয়োজন আছে বলে আমি মনে করি না। এখানে কোন প্রকার অনিয়ম করা হয়েছে বা কোন বহিরাগতকে ডাকসু নির্বাচনের আনা হয়েছে বিষয়টি সঠিক নয়।

পূর্বপশ্চিমবিডি/এআর

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত