Most important heading here

Less important heading here

Some additional information here

Emphasized text
  • শুক্রবার, ২৩ আগস্ট ২০১৯, ৮ ভাদ্র ১৪২৬
  • ||

কবি নজরুল কলেজ শিক্ষকদের রমরমা কোচিং বাণিজ্য

প্রকাশ:  ০৬ আগস্ট ২০১৯, ১৬:১৫
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রিন্ট icon

রাজধানীর কবি নজরুল সরকারি কলেজের শিক্ষকদের বিরুদ্ধে রমরমা কোচিং বাণিজ্য চালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। কলেজের অন্তত ১০ জন শিক্ষক এই বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ।

একাধিক সূত্রে জানা গেছে, কবি নজরুল কলেজের একাধিক শিক্ষক ক্লাসের চেয়ে কোচিংয়ে সময় দিচ্ছেন বেশি। অনেকক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের কাছে প্রাইভেট বা কোচিং না করলে ইনকোর্সে নম্বর কম দেওয়া হয়। ইনকোর্সের নম্বর শিক্ষকদের হাতে থাকায় এটিকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে শিক্ষার্থীদের কোচিং বা প্রাইভেট পড়তে বাধ্য করছেন তারা।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, কলেজের ব্যবস্থাপনা বিভাগের জাফর আহমেদ ও সিরাজুল রাসুল, হিসাব বিজ্ঞান বিভাগের আব্দুস সালাম ও মিজানুর রহমান (খণ্ডকালীন), ইংরেজি বিভাগের পুতুল চন্দ্র বর্মন, পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের শাহানারা আক্তার ও ফারজানা আক্তার (খণ্ডকালীন), গণিত বিভাগের মহসীন মিয়া লক্ষীবাজারের ডিইউটি মার্কেটসহ কলেজের আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় কোচিং সেন্টার গড়ে তুলেছেন।

সরজমিনে দেখা গেছে, লক্ষীবাজারের ডিইউটি মার্কেটসহ বিভিন্ন স্থানে শিক্ষকরা গড়ে তুলেছে তাদের কোচিং বাণিজ্য কেন্দ্র। যেখানে পালাক্রমে চলে শিক্ষকদের প্রাইভেট পাঠদান। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কবি নজরুল কলেজের অনেক শিক্ষকই কোনো না কোনো কোচিং বাণিজ্যের সাথে জড়িত রয়েছেন। ছোট্ট একটি ঘরে ১ ঘন্টায় ২০ থেকে ৩০ জন শিক্ষার্থীকে পড়িয়ে তারা হাতিয়ে নিচ্ছেন মোটা অঙ্কের টাকা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বাংলা ২য় বর্ষের এক শিক্ষার্থী বলেন, শিক্ষকরা ক্লাসের চেয়ে কোচিংয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়ানো হচ্ছে নাম মাত্র। শিক্ষকের কাছে কোচিং না করলে পরীক্ষায় পাস করবো কি করে। তাই আমি বাধ্য হয়ে কোচিংয়ে পড়ি। বাংলা বিভাগে শিক্ষক থাকলেও কোনো কোনো দিন ক্লাসে শিক্ষকের দেখাও মেলে না।

কয়েকজন শিক্ষার্থীর সাথে কথা বলে জানা যায়, ১ ঘন্টা করে মাসে ১২ দিন তাদের পড়ানো হয়। কোচিং ফি বাবদ মাসে ১৫শ থেকে ২ হাজার টাকা করে নেওয়া হয়। এমন অনেক শিক্ষক রয়েছেন যার কাছে প্রাইভেট না পড়লে পরীক্ষায় ভালো নম্বর পাওয়া যায় না। ইনকোর্স মার্ক তাদের হাতে থাকে তাই বাধ্য হয়েই কোচিংয়ে পড়তে হয়।

ব্যাবস্থাপনা বিভাগের ২য় বর্ষের এক শিক্ষার্থী জানান, আমাদের ২য় বর্ষে মোট ক্লাস হয়েছে ৬ দিন। শিক্ষকরা ক্লাসে আসে না তদের ফোন দিয়ে ক্লাসে আনতে হয়। তারা কোচিং এ বেশি গুরুত্ব দেন।

ব্যাবস্থাপনা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান আলা উদ্দিন আল আজাদের কাছে কোচিং বাণিজ্য ও শিক্ষদের ক্লাসে না আসা নিয়ে জানতে চাইলে বিষয়টি অস্বীকার করেন।

ডিপার্টমেন্টে কোনো কাজে শিক্ষক, কম্পিউটার অপারেটর বা অফিস সহকারীদের কাছে গেলে বাজে ব্যাবহারের শিকার হতে হয় এমন অভিযোগও করেন অর্থনীতি, দর্শন,বাংলা ও রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা।

কলেজের সার্বিক বিষয়ে নিয়ে কবি নজরুল কলেজের উপাধ্যক্ষ ড. খালেদা নাসরীনের কাছে জানতে চাইলে তিনি দ্রুত পদক্ষেপ নেয়ার আশ্বাস দেন।

পূর্বপশ্চিমবিডি/এসএইচ

কোচিং বাণিজ্য,কবি নজরুল কলেজ,শিক্ষকদের রমরমা
apps
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত