Most important heading here

Less important heading here

Some additional information here

Emphasized text
  • শুক্রবার, ২৩ আগস্ট ২০১৯, ৮ ভাদ্র ১৪২৬
  • ||

গণহারে ফেলের প্রতিবাদে নীলক্ষেত অবরোধ, যান চলাচল বন্ধ

প্রকাশ:  ১৬ জুলাই ২০১৯, ১৩:২০ | আপডেট : ১৬ জুলাই ২০১৯, ১৩:২৩
ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
প্রিন্ট icon

গণহারে ফেল করানোর অভিযোগে নীলক্ষেত মোড় অবরোধ করে আন্দোলন করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত সরকারি সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা। ভালো পরীক্ষা দিয়েও গণহারে ফেল করানোর অভিযোগ তুলেছেন তারা।

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টায় নীলক্ষেত মোড়ে অবস্থান নেন ২০১৭-১৮ সেশনের শিক্ষার্থীরা। এর ফলে নিউমার্কেট এলাকায় যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ভালো পরীক্ষা দিয়েও গণহারে ফেল করেছেন তারা।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম অনুযায়ী সিজিপিএ ২.০০ এর কম পেলে পরবর্তী বর্ষে শিক্ষার্থীকে উন্নীত করা হয় না। কিন্তু শিক্ষার্থীদের দাবি এ ধরণের কোন নোটিশ আগে জানানো হয়নি।

শিক্ষার্থীরা জানান, কোনোরকম নোটিশ ছাড়া হঠাৎ এই নিয়ম কার্যকর করায় বিড়ম্বনায় পড়েছেন তারা। এই নিয়ম কার্যকরের ফলে অনেক শিক্ষার্থী দ্বিতীয় বর্ষে উত্তীর্ণ হতে পারছেন না।

ইডেন মহিলা কলেজের ২০১৭-১৮ সেশনের শিক্ষার্থী মরিয়ম আক্তার বলেন, স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাস একটি সহজ সাবজেক্ট। এ বিষয়ে গণহারে ফেল মেনে নেয়া যায় না। আর সিজিপিএ ২.০০ এর কম পেলে নট প্রোমোটেড, এই বিষয়ে আগে থেকে কিছুই আমাদের জানানো হয়নি। আমরা এর সমাধান চাই।

তিতুমীর কলেজের শিক্ষার্থী সবুজ বলেন, আমাদের দাবি মেনে নিতে হবে। তা না হলে আমরা আমাদের কর্মসূচি চালিয়ে যাব।

ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থী মিরাজ বলেন, অধিভুক্তের পর থেকে সব কিছুর জন্যই বার বার আন্দোলন করা লাগছে। আমরা কি পড়াশোনা করতে আসছি নাকি আন্দোলন করতে আসছি। যতক্ষণ না আমরা এর সুষ্ঠু সমাধান পাই, আমরা ঘরে ফিরে যাব না।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা আরও অভিযোগ করেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে থাকাকালে তাদের পরীক্ষা গ্রহণ ও ফলাফল প্রকাশে দীর্ঘসূত্রতা দেখা দেয়। হঠাৎ করে রাজধানীর সরকারি সাত কলেজকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত করার পর তারা ভেবেছিলেন সেশনজট কমবে। একই সঙ্গে শিক্ষার মানও বাড়বে। এর কিছুই হয়নি।

শিক্ষার্থীরা বলেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের চেয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তাদের আরও বেশি সেশনজটের মধ্যে ফেলে দিয়েছে। সঙ্গে সঙ্গে ফলাফলও তারা ৯০ দিনের মধ্যে প্রকাশ করতে পারছে না। ত্রুটিযুক্ত ফলাফলও তারা প্রকাশ করছে। এসবের সমাধান চান তাঁরা।

তারা বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এর আগেও তাদের অনেক আশ্বাস দিয়েছেন। তবে এর কোনো বাস্তবায়ন তারা দেখেননি। তার অফিসে গিয়েও অনেকবার স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে, এতে কোনো কাজ হয়নি।

প্রসঙ্গত, এর আগে রোববার (১৪ জুলাই) ইডেন মহিলা কলেজ ও সরকারি তিতুমীর কলেজে ফলাফল বিপর্যয়ের বিরুদ্ধে বাংলা বিভাগে তালা দেন শিক্ষার্থীরা। এর আগেও ইডেন কলেজের ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের ইংরেজি বিভাগের প্রকাশিত ফলাফলে ৩০০ জন শিক্ষার্থী প্রথম বর্ষে শুধু বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাস বিষয়ে অকৃতকার্য হন। পরে সব খাতা পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করেন শিক্ষার্থীরা। পরবর্তীতে পুনর্মূল্যায়ন করে প্রকাশিত ফলাফলে ৩-৪ জন ছাড়া বাকি সবাই কৃতকার্য হন।

পূর্বপশ্চিমবিডি/পিএস

নীলক্ষেত অবরোধ,যান চলাচল বন্ধ
apps
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত