Most important heading here

Less important heading here

Some additional information here

Emphasized text
  • রবিবার, ২০ অক্টোবর ২০১৯, ৪ কার্তিক ১৪২৬
  • ||

ইবির বাজেটে গবেষণায় বরাদ্দ মাত্র ০.৬%

প্রকাশ:  ০২ জুলাই ২০১৯, ১৬:৪৩
ইবি প্রতিনিধি
প্রিন্ট icon

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে ১৩৭ কোটি ১৬ লক্ষ টাকা বাজেট পেশ করেছে কতৃপক্ষ। এতে গবেষণা খাতে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৮০ লক্ষ টাকা। যা মোট বাজেটের ০.৬ শতাংশ। প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল বলে দাবি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের। এদিকে বাজেটের একটি বড় অংশ ব্যয় হবে শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা বাবদ। যা মোট বাজেটের ৭২ শতাংশ।

এবিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক হারুন উর রশিদ আসকারী বলেন,গবেষণা খাতে বরাদ্দ প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। সকল উপাচার্যেরই দাবি এ খাতে বরাদ্দ বৃদ্দির জন্য। আমারও দাবি।

অনুমোদিত বাজেট বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, ২০১৯-২০ নতুন অর্থ বছরের জন্য ২৪৭ কোটি ৫৪ লক্ষ টাকার বাজেট চাহিদা পাঠানো হয় বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনে। এর মধ্যে থেকে ১৩৭ কোটি ১৬ লক্ষ টাকা অনুমোদিত হয়। তবে ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে সংশোধীত বাজেট ১৩৮ কোটি ১৫ লক্ষ টাকা। গত বছরের তুলনায় এবছর এক কোটি টাকা কম বরাদ্দ পেয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়টি।

বাজেটে প্রধান খাতগুলোর মধ্যে ৯৮ কোটি ২৮ লক্ষ টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে শিক্ষক-কর্মকর্তা এবং কর্মচারীদের বেতন ভাতা বাবদ। অন্যান্য অনুদান খাতের আওতায় তাদের পেনশন ও অবসরকালীন ভাতার জন্য বরাদ্দ হয়েছে আরো ৯ কোটি ৭০ লক্ষ টাকা। অর্থাৎ ১৩৭ কোটি ১৬ লক্ষ টাকার মোট বাজেটের মধ্যে শিক্ষকসহ অন্যান্যদের বেতন-ভাতা-পেনশন বাবদ খরচ হবে প্রায় ১০৮ কোটি টাকা। যা শ্বিবিদ্যালয়ের মোট বাজেটের ৭৮.৭৩ শতাংশ।

অন্যদিকে পণ্য ও সেবা বাবদ সহায়তায় এর আওতায় গবেষণা খাতে বরাদ্দ দিয়েছে ৮০ লক্ষ টাকা। যা মোট বাজেটের ০.৬ শতাংশ। তবে এখাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বরাদ্দ চাহিদা ছিল ১ কোটি ৫৫ লক্ষ টাকা। গবেষণায় বরাদ্দ কম নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলতি পুষ্ঠি ও খাদ্য প্রযুক্তি বিভাগের অধ্যাপক শেখ আব্দুর রউফ বলেন,‘রিচার্স ফান্ড একেবারে নেই বললেই চলে। আবার প্রয়োজন অনুযায়ী নেই আধুনিক ল্যাবও। যাদের ভালো গবেষণার আগ্রহ আছে তারাও পর্যাপ্ত সুবিধা পাচ্ছে না।

এছাড়াও পণ্য ও সেবা বাবদ সহায়তায় ২৫ কোটি ২৩ লক্ষ টাকা বরাদ্দ। বিষেশ মূলধন অনুদান ও অন্যান্য অনুদান বাবদ ১৩ কোটি ৬৫ লক্ষ টাকা বরাদ্দ পেয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়।

উল্লেখ্য, ঘোষিত বাজেটে ১৩৭ কোটি ১৬ লক্ষ টাকার মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন থেকে ১২৪ কোটি ১৬ লক্ষ টাকা ও বিশ^বিদ্যালয়ের নিজস্ব আয় ১৩ কোটি টাকা। ১৯৯৫-১৯৯৬ অর্থ বছর থেকে ২০১৭-২০১৮ অর্থবছর পর্যন্ত ২৩টি অর্থ বছরে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের বাজেট ঘাটতি ৭০ কোটি ৪৪ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা।

বাজেটের বিষয়ে কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক সেলিম তোহা বলেন, আমাদের চাহিদার তুলনায় কম বাজেট বরাদ্দ পেয়েছি। যার প্রভাব পড়েছে প্রতিটি খাতে।

পূর্বপশ্চিমবিডি/পিএস

ইবি,বাজেট,গবেষণা
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত