Most important heading here

Less important heading here

Some additional information here

Emphasized text
  • শনিবার, ১৭ আগস্ট ২০১৯, ২ ভাদ্র ১৪২৬
  • ||

ছাত্রলীগের কমিটি

৪৮ ঘণ্টা সময় দিলেন ছাত্রলীগের পদবঞ্চিতরা

প্রকাশ:  ১৫ মে ২০১৯, ০১:২৭ | আপডেট : ১৫ মে ২০১৯, ০১:২৯
ঢাবি সংবাদদাতা
প্রিন্ট icon

ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটিতে ঠাঁই না পাওয়া পদবঞ্চিত নেতারা ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়েছেন।

মঙ্গলবার (১৪ মে) দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ আল্টিমেটাম দেন তারা। একই সঙ্গে মধুর ক্যান্টিনে সোমবারের (১৩ মে) হামলার তদন্তের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

ছাত্রলীগের ২৯তম জাতীয় সম্মেলনের এক বছর পর সোমবার পূর্ণাঙ্গ কমিটির অনুমোদন দেন ছাত্রলীগের শীর্ষ দুই নেতা। ওই কমিটিতে জায়গা না পেয়ে কমিটি পুনর্বিবেচনার জন্য বিকালে ঢাবি ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল করেন পদবঞ্চিতরা। সেখানে হামলা করেন পদপ্রাপ্তরা। এ নিয়ে সন্ধ্যায় মধুর ক্যান্টিনে সংবাদ সম্মেলন করতে গেলে সেখানেও হামলার শিকার হন পদবঞ্চিতরা।

সংবাদ সম্মেলনে কেন্দ্রীয় কমিটিতে পদ না পাওয়া সংগঠনটির সাবেক প্রচার সম্পাদক সাইফুদ্দিন বাবু বলেন, যারা বিগত সময়ে সক্রিয়ভাবে ছাত্রলীগের সঙ্গে জড়িত ছিলেন তাদের একটি বৃহদাংশকে বাদ দেওয়া হয়েছে কিংবা সঠিক পদে মূল্যায়ন করা হয়নি। যারা নিষ্ক্রিয়, সাবেক চাকরিজীবী, বিবাহিত, অছাত্র, গঠনতন্ত্রের অধিক বয়সী, বিভিন্ন মামলার আসামি, মাদকসেবী, মাদক ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন অপকর্মের দায়ে যারা ছাত্রলীগ থেকে আজীবন বহিষ্কৃত তাদেরই ছাত্রলীগে পদায়ন করা হয়েছে। এটা আমাদের ব্যথিত করেছে।

সাইফুদ্দিন বাবু আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কমিটি পুনর্গঠনের দাবি জানান। তিনি অভিযোগ করে বলেন, সোমবার পদবঞ্চিতরা সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন। সেখানেও দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হামলা চালিয়ে নারী নেত্রীসহ বেশ কয়েকজনকে জখম করা হয়েছে। রোকেয়া হলের সাধারণ সম্পাদক শ্রাবণী দিশার চোখে আঠারোটি সেলাই দিতে হয়েছে। আমরা সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবি জানাই।

এ সময় দাবি না মানলে অনশন ও গণপদত্যাগের ঘোষণা দেন নতুন কমিটির সংস্কৃতিবিষয়ক উপসম্পাদক নিপু তন্বী। তিনি শামসুন্নাহার হল শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও ডাকসুর সদস্য।

রোকেয়া হল শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি বি এম লিপি আক্তার বলেন, আমি রোকেয়া হলের সভাপতি এবং ডাকসুর কমনরুম ও ক্যাফেটেরিয়া সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করা অবস্থায় আমাকে ছাত্রলীগের উপসম্পাদক পদ দেওয়া হয়েছে। আমি ছাত্রলীগের সেক্রেটারিকে জিজ্ঞাসা করেছি, কোন ক্রাইটেরিয়ায় আপনি আমাকে ছাত্রলীগের উপসম্পাদক পদ দিয়েছেন। তিনি উত্তর দিয়েছেন, ডাকসুর গুরুত্বপূর্ণ পদে আছি বলে আমাকে এ পদ দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, ব্যাপারটা এমন- আপনি এমপি নির্বাচন করেছেন এবার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করুন। আমার প্রশ্ন হলো, আপনি ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক পদে থেকেও কেন ডাকসু নির্বাচন করলেন।

লিপি আক্তার অভিযোগ করে বলেন, কমিটিতে যারা স্থান পেয়েছেন তারা শোভন-রাব্বানী কমিটিতে ৮-১০ মাস রাজনীতি করেছেন, তাদের পেছন পেছন ঘুরেছেন। তাদের মেকানিজমে যারা, তাদেরই কমিটিতে স্থান দেওয়া হয়েছে। আগের দুই কমিটির ত্যাগী কাউকে রাখা হয়নি।

হামলার ঘটনায় তদন্ত কমিটির ব্যাপারে ছাত্রলীগ ও ডাকসুর এই নেত্রী বলেন, যারা মধুর ক্যান্টিনে মারধর করেছেন তাদেরই তদন্ত কমিটির সদস্য করা হয়েছে। এ তদন্ত কমিটি আমরা মানি না। ছাত্রলীগ সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের সরাসরি নির্দেশেই হামলা চালানো হয়েছে।

/অ-ভি

apps
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত