• শুক্রবার, ২৭ জানুয়ারি ২০২৩, ১৩ মাঘ ১৪২৯
  • ||

বলছে গবেষণা

১০ সেকেন্ডের চুম্বনে বিনিময় হয় ৮ কোটি ব্যাকটেরিয়া

প্রকাশ:  ০৩ মার্চ ২০২১, ২১:০১
স্পোর্টস ডেস্ক

যে চুম্বন নিয়ে চোখ রাঙানির অভাব নেই, তাই বাড়ায় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা। নতুন গবেষণাপত্র এমনই বলছে। গত এক বছরে চুম্বন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে অঢেল। করোনা-আতঙ্ক কোনো কসুর ছাড়েনি তাতে। সামাজিক দূরত্ব বজায় থাকুক, না-ই বা থাকুক, কিন্তু ‘চুম্বন নৈব নৈব চ’। শুধু একটি চুম্বনই নাকি পৌঁছে দিতে পারে ১৪ দিনের ‘গৃহহাজতে’।

সে সব তত্ত্বকেই চ্যালেঞ্জ জানালো নতুন এই গবেষণা। বললো, ব্যাকটেরিয়ার আদান-প্রদান ঘটে চুম্বনের মাধ্যমে। শরীরে পৌঁছে সেই সব ব্যাকটেরিয়াই বাড়িয়ে দিতে পারে রোগ থেকে বাঁচার শক্তি।

মানুষ চুমু কেন খায়? এ প্রশ্নের উত্তর জানতেই নেদারল্যান্ডস্‌ অর্গানাইজেশন ফর অ্যাপ্লায়েড সাইন্টিফিক রিসার্চের এক দল বিজ্ঞানী শুরু করেছিলেন গবেষণা। সেই কাজই তাদের এগিয়ে নিয়ে যায় শরীরের প্রতিরোধ শক্তি নিয়ে ভাবনার দিকে। চুমু খাওয়ার সময়ে দু’জনের জিভ স্পর্শে আসে। এক জনের লালা পৌঁছায় অন্যের শরীরে।

বিজ্ঞানীদের দাবি, ১০ সেকেন্ডের চুম্বনে ৮ কোটি ব্যাকটেরিয়া বিনিময় হয় একটি যুগলের মধ্যে। সম্ভাব্য সঙ্গীর সঙ্গে সেই ব্যাকটেরিয়া দেওয়া-নেওয়া হয়ে গেলে শক্তিশালী হয়ে ওঠে শরীর। রোগের সঙ্গে লড়াই করার ক্ষমতা বেড়ে যায়।

অর্থাৎ, হালকা বন্ধুত্বপূর্ণ আদর-আহ্লাদ জরুরি শুধু সঙ্গীর সঙ্গে কাটানো মুহূর্ত আনন্দের করে তুলতেই নয়, শরীর সুস্থ রাখতেও। কে বা জানতো সে কথা!

কোনো একটি যুগলের মধ্যে দিনে আট-নয়বার চুম্বন বিনিময় হলে তাদের শারীরে একই ধরনের জীবাণু উপস্থিত থাকে। অর্থাৎ একই ধরনের রোগের সঙ্গে লড়ার জন্য তৈরি থাকেন তারা।

বিজ্ঞানীদের বক্তব্য, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার সঙ্গে চুম্বনের সম্পর্ক নিয়ে এর আগে গবেষণা হয়নি। তবে আগে অনেক বিজ্ঞানীই জানিয়েছেন যে, শরীর যতো ধরনের ব্যাকটেরিয়ার সঙ্গে পরিচিত হবে, ততোই বাড়বে রোগের সঙ্গে লড়ার ক্ষমতা। চুম্বন সেই কাজটাই করে। এক ব্যক্তির শরীরে উপস্থিত ব্যাকটেরিয়া আর একজনের দেহে যায়। এর মাধ্যমে রোগ ছড়ানোর আতঙ্ক অনেকেই প্রকাশ করেছেন। কিন্তু আসলে চুম্বন দু’জনেরই ভালো করে।

পূর্বপশ্চিমবিডি/অ-ভি

ব্যাকটেরিয়া,কোটি,চুম্বন,সেকেন্ড,ক্ষমতা
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
close