• বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২০, ২৫ আষাঢ় ১৪২৭
  • ||

পার্টনারসহ বিছানায় পুলিশের হাতে ধরা, ফাঁসছেন সেই নাসরিন (ভিডিও)

প্রকাশ:  ১৪ অক্টোবর ২০১৯, ১৩:০৫ | আপডেট : ১৪ অক্টোবর ২০১৯, ১৩:০৭
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃটেনে পার্টনারসহ এক বিছানায় পুলিশের হাতে ধরা পড়লেন নিজেকে ‘বিকলাঙ্গ’ ও ‘সিঙ্গেল’ মা দাবি করা নাসরিন আক্তার (৫০)।

নিজেকে ‘বিকলাঙ্গ’ ও ‘সিঙ্গেল’ মা দাবি করে সরকারের কাছে দুই লাখ ৬০ হাজার পাউন্ড দাবি করেছিলেন। এ দাবির যথার্থতা পরীক্ষা করার জন্য পুলিশ তার ওপর নজর রাখে। এক পর্যায়ে দেখা যায় তিনি বিকলাঙ্গও নন। সিঙ্গেল মা-ও নন। তিনি দাবি করেছিলেন, পুরুষ পার্টনার তাকে ফেলে চলে গেছেন।

সম্পর্কিত খবর

    এ ছাড়া তাকে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে নাচতে দেখা গেছে। সেই নাচ ভিডিও আকারে রয়েছে পুলিশের হাতে। এমন অপরাধে শুক্রবার তাকে দু’বছরের জন্য জেল দিয়েছে আদালত। এ খবর দিয়েছে লন্ডনের একটি ট্যাবলয়েড পত্রিকার অনলাইন সংস্করণ। তবে এতে বলা হয়নি নাসরিন আক্তার বৃটেনেই জন্ম নিয়েছেন কিনা অথবা তিনি কোন দেশের বংশোদ্ভূত। ঘটনাটি পুরনো হলেও তা নতুন করে আলোচনায় এসেছে নাসরিনের জেল হওয়ায়।

    রিপোর্টে বলা হয়েছে, ঘটনা ২০০২ থেকে ২০১৩ সালের মধ্যকার। এ সময়ে নাসরিন আক্তার নিজেকে বিকলাঙ্গ ও সিঙ্গেল মা হিসেবে পরিচয় দেন। বলেন, তিনি চলাচল করতে পারেন না। ফলে এতটাই অসুস্থ যে, কোনো কাজ করার ক্ষমতা নেই তার। তাকে ফেলে গেছেন পার্টনার আক্তার। ক্রাউন প্রসিকিউশন সার্ভিস (সিপিএস) এ কথা জানিয়ে বলেছে, এমন দাবি করে নাসরিন সরকারের কাছে দুই লাখ ৬০ হাজার পাউন্ড সহায়তা দাবি করেন। নাসরিন আক্তারের বসবাস ওল্ডহ্যামে। সেখানে ২০১২ সালে তার ওপর ছদ্মবেশী নজরদারি শুরু করে ডিপার্টমেন্ট অব ওয়ার্ক অ্যান্ড পেনশনস (ডিডব্লিউপি) বিষয়ক তদন্তকারীরা।

    সিপিএস বলেছে, এক পর্যায়ে পুলিশ পরের বছরই তার বাড়ি ঘেরাও করে। তখন নাসরিনের পার্টনার আক্তার দাবি করেন, তার সঙ্গে এক বিছানা শেয়ার করেন না নাসরিন। তিনি কাজ করতে পারেন না, চলাচল করতে পারেন না। তার দেখাশোনার জন্য অন্যের সাহায্য প্রয়োজন- এমন দাবি করা হলেও তাকে দেখা যায় এক বিয়ের অনুষ্ঠানে নাচতে। এসব ঘটনা ধরা পড়ার পর নাসরিন আক্তার তার বিরুদ্ধে সাত দফা প্রতারণার অভিযোগ স্বীকার করে নেন। ফলে ম্যানচেস্টার ক্রাউন কোর্ট শুক্রবার তাকে দু’বছরের জেল দেয়।

    সিপিএসের প্রতারণা বিষয়ক ইউনিটের সিমন টুনিক্লিফ বলেছেন, নাসরিন আক্তারকে বিচারের আওতায় আনতে তাদের ও ডিডব্লিউপির তিনটি বছর সময় লেগেছে। এমন অন্য ঘটনাগুলোর মধ্যে এটি একটি ব্যতিক্রমী ব্যাপার। তার বিরুদ্ধে বিচার শুরু হয় ২০১৭ সালে। তারপর এমন তথ্য সংগ্রহ করতে হয়েছে সিপিএস এবং ডিডব্লিউপি’কে।

    মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
    • সর্বশেষ
    • সর্বাধিক পঠিত
    close