Most important heading here

Less important heading here

Some additional information here

Emphasized text
  • শুক্রবার, ১৮ অক্টোবর ২০১৯, ২ কার্তিক ১৪২৬
  • ||

‘সিএনএন’র খবরে বাংলাদেশের ডেঙ্গু প্রকোপ

প্রকাশ:  ৩০ জুলাই ২০১৯, ২২:১৭
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রিন্ট icon

রাজধানীসহ সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ছে ডেঙ্গু। চলতি বছর ডেঙ্গুর প্রকোপ অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়েছে বলে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে মঙ্গলবার (৩০ জুলাই) সংবাদ প্রকাশ করেছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন।

প্রকাশিত ওই খবরে বলা হয়েছে গত ২৪ ঘণ্টায় এক হাজারেরও বেশি ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছে। যাদের বেশিরভাগই শিশু। এছাড়া জানানো হয়েছে, এই রোগের বিস্তার রোধে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) কাছে কারিগরি সহায়তা চেয়েছে বাংলাদেশের রোগ নিয়ন্ত্রণ বিভাগ।

সিএনএন’র খবরে বলা হয়েছে, এ বছরের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত মশাবাহিত এই রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে আটজন। মোট আক্রান্ত হয়েছে ১৩ হাজার ৬০০ মানুষ। এদের মধ্যে অর্ধেকেরও বেশি আক্রান্ত হয়েছে চলতি জুলাই মাসে।

সরকারি পরিসংখ্যানের কথা উল্লেখ করে ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জুলাইয়ে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছে আট হাজার ৩৪৮ জন, জুনে আক্রান্ত হয়েছে এক হাজার ৮২০ জন আর মে মাসে আক্রান্তের সংখ্যা ১৮৪ জন।

স্বাস্থ্য বিভাগের সহকারি মহাপরিচালক আয়েশা আক্তার সিএনএন-কে বলেন, ২০০০ সাল থেকে ডেঙ্গুর রেকর্ড রাখা শুরুর পর থেকে এটাই বাংলাদেশে সবচেয়ে ভয়াবহ প্রকোপ।

দেশের ৫০টিরও বেশি জেলায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হলেও ২ কোটি বেশি মানুষের আবাস রাজধানী ঢাকাতেই সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

আয়েশা আক্তার বলেন, ডেঙ্গু রোগীদের জায়গা দিতে হিমশিম খাচ্ছে রাজধানীর কোনও কোনও হাসপাতাল। তিনি বলেন, আমরা নিশ্চিত করছি যে সব সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালের এই প্রকোপ মোকাবিলার সক্ষমতা রয়েছে। ডেঙ্গু রোগীদের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বিশেষ একটি বিভাগ খোলা হয়েছে।

ভাইরাসবাহিত রোগ ডেঙ্গুর লক্ষণ ফ্লু’র মতো। জ্বরের সঙ্গে তীব্র মাথাব্যথা, পেশীতে ব্যাথার পাশাপাশি শরীরে র‍্যাশ উঠতে পারে। বিশ্বব্যাপী প্রতিবছর দশ লাখেরও বেশি মানুষ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়। ধারণা করা হয়ে থাকে এদের মধ্যে পাঁচ লক্ষাধিককে হাসপাতালে ভর্তির প্রয়োজন হয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) হিসেবে প্রতিবছর এই রোগে ১২ হাজার ৫০০ জন মারা যায়।

গত সপ্তাহে বাংলাদেশ সরকারের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে মশা নিয়ন্ত্রণে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) কাছে কারিগরি সহায়তা চেয়েছে বাংলাদেশের রোগ নিয়ন্ত্রণ বিভাগ। এর পাশাপাশি ডেঙ্গু চিকিৎসায় জাতীয় গাইডলাইন প্রণয়নের কথা জানিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে সচেতনতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সাম্প্রতিক এক গবেষণার বরাত দিয়ে সিএনএন-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জলবায়ু সংকটের কারণে বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির কারণে স্ত্রী প্রজাতির এডিস মশার বংশবৃদ্ধি ঘটতে পারে। এই প্রজাতির মশা ডেঙ্গুর পাশাপাশি অন্যান্য রোগ যেমন চিকুনগুনিয়া, জিকা ভাইরাস বহন করে। স্ত্রী এডিস মশার কারনে এসব রোগ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে পড়তে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে ওই গবেষণায়।

পূর্বপশ্চিম/অ-ভি

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত