• মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২০, ২৭ শ্রাবণ ১৪২৭
  • ||

রাজকীয় বিছানায় সিংহের সঙ্গে ঘুমান জুলফিকার

প্রকাশ:  ০৫ জুন ২০১৯, ০৯:১৮
আনন্তর্জাতিক ডেস্ক

শখের বসে অনেকেই অনেক প্রাণী পুষে থাকেন। বিশেষ করে বিড়াল কিংবা কুকুর পুষতে দেখা যায় অনেক অভিজাত শ্রেণির লোকজনদের। কিন্তু শখের বসে কেউ যদি প্রাণঘাতী প্রাণী পোষ মানাতে চান, আর সেটি যদি সিংহ হয় তাহলে একটু অবাক হওয়ারই কথা।

বাস্তবে এমনটিই ঘটেছে পাকিস্তানের মুলতানে। ইতিমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইউটিউবে সিংহের সঙ্গে এক ব্যক্তির বেশ সখ্যতার একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে।

সম্পর্কিত খবর

    ভালো নাম জুলফিকার চৌধুরী। তার শখ সিংহের সঙ্গে সময় কাটানো। ৩৩ বছর বয়সী জুলফিকার থাকেন মুলতান শহরে। মাস ছয়েক আগে জুলফিকার এই সিংহকে কিনে বাড়িতে নিয়ে আসেন। এরপর সেটাকে বাড়ির মধ্যে রেখে পুষতে থাকেন। আদর করে নাম রেখেন বব্বর। সিংহটির ওজন এরই মধ্যে ৭৬ কেজি ছাড়িয়েছে। প্রতিদিন তাকে খেতে দেওয়া হয় ৭ কেজি কাঁচা মাংস।

    মুলতানের বিরাট বাংলো রয়েছে জুলফিকারের। সেই বাংলোয় দিব্বি রয়েছে সিংহ। তার নিজের একটা ঘরও রয়েছে। সেখানে বিরাট খাট, কম্বল যেমন আছে। তেমনই বন্ধু বব্বরের জন্য আর এসি ব্যবস্থা করেছেন জুলফিকার। এতটাই পোষ মেনেছে সেই সিংহ যে তাকে বেঁধে রাখা হয়না। এমনকি জুলফিকারের শিশুপুত্র ঘরে থাকলেও খোলা রাখা হয় বব্বরকে।

    ব্রিটিশ সংবাদপত্র ডেইলি মেইলকে জুলফিকার বলেন, বব্বর আমার সন্তানের মতো। আমি যখন ওকে এনেছি তখন এর বয়স ছিল মাত্র ২ মাস। গত ছয়মাসেরও বেশি সময় ধরে বসবাস করছে।

    সিংহটাকে দেখে তার পরিবারের কেউ অখুশি হয়নি। সবাই বরং ওকে প্রতিদিন দেখতে আসে। তার ছোট্ট ছেলেটিও সিংহটার সঙ্গে খেলে। ঘরের মধ্যে সিংহ পোষা নিয়ে প্রাথমিকভাবে আইনগত সমস্যায় পড়তে হয়েছিল।

    জুলফিকার জানিয়েছেন, আমি পরে সিংহটাকে আমার সঙ্গে রাখার জন্য পাক বনদফতর থেকে বিশেষ অনুমতি আনিয়েছি। সিংহর জন্য প্রতি মাসে ২ হাজার ৪০০ ইউরো খরচ করেন।

    তিনি আরও জানান, তার বাড়ির আশেপাশের লোকজনও এখন আর সিংহটাকে ভয় করেন না। বরং প্রতিবেশী ও দূর-দূরান্ত থেকে আগত দর্শনার্থীরা বব্বরের সঙ্গে সেলফি তুলতে পছন্দ করেন।

    পিপিবিডি/অ-ভি

    মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
    • সর্বশেষ
    • সর্বাধিক পঠিত
    close