• বৃহস্পতিবার, ২১ নভেম্বর ২০১৯, ৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬
  • ||

কেন হারলে, বৈঠকে কেষ্টকে বকলেন মমতা

প্রকাশ:  ৩১ মে ২০১৯, ১৯:৪০
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ভারতের ১৭তম লোকসভা নির্বাচনে ভোটের ফলে জোর ধাক্কা খেয়েছে তৃণমূল। আর তারপরই দলের নেতা-মন্ত্রীদের কড়া ক্লাস নিলেন দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার রোষের মুখে পড়লেন একাধিক নেতা-মন্ত্রী।

শুক্রবার (৩১ মে) বৈঠকে ক্লাসে ‘ব্যাড বয়’ হিসেবে জোর ধমক খেলেন অরূপ বিশ্বাস, গৌতম দেব, বিনয় বর্মন, অজিত মাইতি। নেত্রীর কাছে আজ ‘ধমক’ খেলেন তার প্রিয় ‘কেষ্টও’। অনুব্রত মণ্ডলের কাছে হারের কৈফিয়ত চাইলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাকে সরিয়ে দেওয়া হল নদিয়ার পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব থেকে।

ভোটের আগে নির্বাচনী প্রচারে বীরভূম গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, কেষ্ট ওরা তোমাকে আটকানোর চেষ্টা করবে। পিছনে লাগবে। তুমিও একটু ধমকাবে, চমকাবে, বাঘের বাচ্চার মতো লড়াই করবে।

প্রশ্রয়, স্নেহের ‘হাত’ রেখেছিলেন প্রিয় ‘কেষ্ট’র মাথায়। কিন্তু ভোটের ফল বদলে দিল সেই ছবিটা। বকা খেলেন অনুব্রত মণ্ডল। ‘কেন হারলে এতগুলো জায়গায়?’ ভরা বৈঠকে নেত্রীর প্রশ্নের মুখে পড়লেন বীরভূমের তৃণমূল জেলা সভাপতি।

প্রসঙ্গত, অনুব্রত মণ্ডলের সাংগঠনিক সাফল্য খুশি হয়ে বীরভূম জেলার বাইরে তাকে পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব দিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পূর্ব বর্ধমানের একাংশ, মুর্শিদাবাদ, নদীয়ার পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব দেওয়া হয় তাকে। শেষে বিষ্ণুপুরেরও বিশেষ পর্যবেক্ষক করা হয়েছিল অনুব্রত মণ্ডলকে।

ভোটের আগে অনুব্রত মণ্ডল হুঙ্কার দিয়েছিলেন, রাজ্যে ৪২টি আসনেই জিতবে তৃণমূল। কিন্তু ভোটের ফল বের হতেই দেখা যায় সব হিসেব উলটে পালটে গিয়েছে। বর্ধমান-দুর্গাপুর, রানাঘাট, বিষ্ণপুরে জয় পায় বিজেপি। বহরমপুর জিতে নেন ‘রবিনহুড’ অধীর চৌধুরী।

রাজ্যে মোট ১৮টি আসন জেতে বিজেপি। ‘শাস্তি’ স্বরূপ এদিন বৈঠকে নদীয়ার দায়িত্ব থেকেও সরিয়ে দেওয়া হল অনুব্রত ম্ণ্ডলকে।

আজকের কোর কমিটির বৈঠকে দার্জিলিং নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর রোষের মুখে পড়েন অরূপ বিশ্বাসও। বলেন, কয়েকটা জায়গা দার্জিলিংয়ের রেকটিফাই করার ছিল। করা হয়নি।

মেদিনীপুর নিয়ে ধমক দেন অজিত মাইতিকে। বলেন, তোমরা কোনও মিটিং কর না। আমি মিটিং করতে চাইছি। তাও বারণ কর তোমরা।

পিপিবিডি/অ-ভি

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত